Published : 16 Dec 2025, 07:14 PM
চট্টগ্রামের হালদা নদীর রামদাস মুন্সীরহাট এলাকা থেকে যে ডলফিনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তার মৃত্যু আঘাতের কারণে হয়েছে বলে জানিয়েছেন একজন বিশেষজ্ঞ।
মঙ্গলবার দুপুরে ডলফিনের মৃতদেহ পাওয়ার পর বিকালে ঘটনাস্থলে যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির একটি দল।
হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়কারী অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ডলফিনটির মাথার দুই পাশে বড় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। এছাড়া ডর্সাল পাখনার বামে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

“তিন-চারদিন আগে এটি মারা গেছে। আঘাতের কারণেই এটির মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করছি, জালে আটকা পড়ায় হয়তো ডলফিনটিকে পিটিয়ে মারা হয়েছে।”
ডলফিনটির দৈর্ঘ্য ১৯৬ সেন্টিমিটার এবং এটির ওজন ৭৩ দশমিক তিন কেজি। এটি প্রাপ্তবয়স্ক স্ত্রী ডলফিন বলে জানিয়েছেন হালদার গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া।
এর আগে দুপুরে নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই রমজান আলী বলেছিলেন, ডলফিনটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।