Published : 25 Jun 2026, 08:58 PM
চট্টগ্রামে জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইনে ১৪ লাখ ৬ হাজার শিশুকে টিকা খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জেলার উপজেলাগুলোতে স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে এবং নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এজন্য সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থা দুটি।
বৃহস্পতিবার নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
“নগরীর কোনো শিশুই যেন এই সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। ৪১টি ওয়ার্ডের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ১ হাজার ৩২১টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এতে ২ হাজার ৬৫৮ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।”
এরমধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
২০২৫ সালে নগরীতে এই কর্মসূচির সাফল্যের হার ৯৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ছিল জানিয়ে মেয়র বলেন, এবার তারা শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করতে চান।
নগরীতে নিয়মিত টিকা কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ টিমের মাধ্যমে পথশিশুদেরও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
অন্যদিকে জেলায় এবার মোট ৮ লাখ ৪২ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার কথা জানান সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
এরমধ্যে ৯৬ হাজার ৭৯ জন শিশু ছয় মাস থেকে ১১ মাস বয়সী। বাকি শিশুরা এক বছর থেকে ৫৯ মাস বয়সী।
জেলার ১৫ উপজেলার দুইশ ইউনিয়নের ছয়শ ওয়ার্ড, ১৭টি স্থায়ী কেন্দ্র, ১৫টি ভ্রাম্যমান কেন্দ্র এবং চার হাজার আটশ অস্থায়ী কেন্দ্র এই টিকা কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।