Published : 27 May 2026, 02:07 PM
সৌদি আরবসহ পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন বুধবার।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা বিশ্বের যে কোনো দেশে চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে বহু বছর ধরে সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন। চট্টগ্রামের মত দেশের আরও কয়েকটি জেলায় এভাবে ঈদসহ ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করা হয়।
বুধবার সকালে দরবার শরীফের খানকাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত হয়। দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীল হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান ইমামতি করেন।
মির্জাখীল দরবার শরীফের মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, সাতকানিয়ার মির্জা খীল দরবার শরীফের অনুসারীরা দুইশ বছরের বেশি সময় ধরে হানাফি মাজহাব মতে হজের পরদিন ঈদুল আজহা উদযাপন করেন।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া, গাটিয়াডেঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা, হালুয়াঘোনা; চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, দোহাজারী, জামিরজুরি; বাঁশখালীর উপজেলার কালিপুর, চাম্বল; আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ; লোহাগাড়া উপজেলার পুঁটিবিলা, কলাউজান, চুনতী; সীতাকুণ্ড উপজেলার বারৈয়াঢালা, সলিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই মতের অনুসারীরা বুধবার ঈদ উদযাপন করছেন।
এ ছাড়া ফেনী, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, চাঁদপুর (মতলব), সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চুয়াডাঙ্গা, ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এবং পার্বত্য জেলা বান্দরবান ও কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলাতেও দরবারের অনুসারীরা এদিন ঈদ উদযাপন করছেন।
বাংলাদেশে গত ১৮ মে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় দেশের অধিকাংশ মুসলমান বৃহস্পতিবার কোরবানির ঈদ উদযাপন করবেন।