Published : 28 Jun 2026, 08:26 AM
দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডা ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। স্বাভাবিকভাবে, টাইব্রেকার নিয়েও বাড়তি প্রস্তুতি থাকবে দলগুলোর। দক্ষিণ আফ্রিকা অবশ্য কিছুটা হলেও নির্ভার। ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ালে, পোস্টে তাদের যে আছে রনওয়েন উইলিয়ামস নামের এক বিশ্বস্ত দেয়াল।
টাইব্রেকারে উইলিয়ামস প্রতিপক্ষের জন্য যে দূর্ভেদ্য, সে প্রমাণ তিনি দিয়েছেন ইতোমধ্যেই। ২০২৪ সালের আফ্রিকা নেশন্স কাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে কেইপ ভার্ডের চারটি শট রুখে দিয়েছিলেন তিনি। জিতেছিলেন আসরের সেরা গোলরক্ষকের পুরষ্কার। মনোনয়ন পেয়েছিলেন, ব্যালন দ’রেও।
তৃতীয় স্থানে নির্ধারণী প্লে-অফে উইলিয়ামস আবারও দেখান ঝলক। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ব্রোঞ্জ নির্ধারণী ম্যাচে দুটি পেনাল্টি তিনি রুখে দেন দুর্দান্ত দক্ষতায়।
ক্লাবের জার্সিতেই গত মাসে, আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে শেষ দিকে একটি পেনাল্টি আটকে মামেলোডি সানডাউন্সের মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নায়ক উইলিয়ামস। আফ্রিকার ফুটবলে পেনাল্টি শুটআউটে জয়ের রেকর্ডও তার।
লস অ্যাঞ্জেলেসে, বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে কানাডা। বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকদের ভাবনায় হয়তো আলাদা জায়গা জুড়েই থাকবে উইলিয়ামস। দক্ষিণ আফ্রিকার এই গোলরক্ষকও প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিজের মতো করে। শোনালেন, টাইব্রেকারে নির্ভরতা হয়ে ওঠার নেপথ্যের গল্প।
“এই খেলায় আপনাকে ছাত্র হতে হবে, এভাবেই বছরের পর বছর ধরে আমি শিখছি।“
পেনাল্টি শট নেওয়াদের নিয়ে নিয়মিত কাজ করা ও টিম অ্যানালিস্টের থেকেও সহযোগিতা নেওয়ার কথা জানালেন তিনি।
“তারা আমাকে অনেক অনেক ভিডিও ক্লিপ পাঠায়, আমার ফোন ভিডিওতে ভরে গেছে। কিছু খেলোয়াড়ের ফুটেজ পাওয়া সহজ নয়। কেননা, তারা দুনিয়া জুড়ে খেলে।”
“যারা পেনাল্টি নিতে আসে, আমি শুধু শট নেওয়ার আগে, তাদের মনোযোগ নষ্ট করে দেওয়ার এবং তাদের আত্মবিশ্বাস নাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। তারাও জানে, আমরা তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করি। পোস্ট কিন্তু বেশ বড়, তাদের গোল করারই কথা, কিন্তু এটিকে ছোট করে দেখাতে আমাদের সব চেষ্টাই করতে হয়।”