Published : 27 Feb 2026, 02:22 PM
চট্টগ্রামের রাউজানের যুবদল নেতা খুনের ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী মাজার গেইট এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ২৭ বছর বয়সী মো. নাঈম গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলি মিয়ার হাটে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয় ৪ নম্বর ওর্য়াড যুবদলের সভাপতি আবদুল মজিদকে।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) রাসেল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নিহত মজিদের স্ত্রীর করা মামলায় প্রধান আসামি নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়।”
এদিকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল জানিয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডের পরদিন বুধবার রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, “সন্ধ্যার দিকে মজিদের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। পরে দুর্বৃত্তরা এসে একটি মুদি দোকানে বসা মজিদকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মজিদ মারা যান।”
এদিকে মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার দুর্গাপুর ইউনিয়নে চৌদ্দি মিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাইদুল ইসলাম ওরফে আবু সায়েদ সাঈদী (৩৩), তিনি দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার সাঈদী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এজাহার নামীয় প্রথম আসামি। বৃহস্পতিবার রাতে সীতাকুণ্ড থানার পশ্চিম মহাদেবপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাকে জোরারগঞ্জ থানায় সোপার্দ করা হয়েছে বলে জানান জানান এ র্যাব কর্মকর্তা।
হত্যাকাণ্ডের পর বুধবার জোরারগঞ্জ থানার ওসি নাজমুল হক জানিয়েছিলেন, গ্রামীণ সড়কের পাশে কৃষি জমি থেকে চৌদ্দি মিয়ার (৪০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। তাকে পিটিয়ে ও পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করা হয়।