Published : 03 Nov 2025, 09:30 PM
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির সমর্থন না পাওয়ায় দলটির নেতা আসলাম চৌধুরীর সমর্থকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করে রাখেন আসলাম অনুসারীরা।
কুমিরা হাইওয়ের থানার ওসি জাকির রব্বানী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ করায় সীতাকুণ্ড অংশে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
“রাত পৌনে ৮টা থেকে বড় দারোগার হাট থেকে সিটি গেইট পর্যন্ত সড়কে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।”
স্থানীয়রা জানান, নগরীর সিটি গেইট থেকে বড় দারোগারহাট পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে ৩০ থেকে ৪০টি স্পটে গাড়ির টায়ার, গাছের গুঁড়ি ফেলে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ করছেন আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা। যানবাহনের পাশাপাশি বিভিন্ন বাজারের দোকানপাটও বন্ধ হয়ে গেছে।
সড়কে অবরোধ করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যদের দেখা যাচ্ছে না।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম পর্যায়ে ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
সোমবার বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ২৩৭ আসনের প্রার্থীদের নাম পড়ে শোনান মির্জা ফখরুল।
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১০টিতে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড আসনে প্রার্থীতা ঘোষণা করা হয় উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দীনকে।
এ আসনে ২০১৮ সালে প্রার্থী ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। ওই সময় তিনি কারাগারে ছিলেন।
২০১৬ সালে আসলামের সঙ্গে ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির সদস্য মেন্দি এন সাফাদির একটি ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। ওই বছরের ১৫ মে ঢাকার খিলখেত থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির তৎকালীন আহ্বায়ক আসলামকে।
ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ‘এজেন্টের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। পরে একে একে আরও অনেক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে একের পর এক মামলা হয় তার নামে।
গেল বছরের ৫ অগাস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ২০ অগাস্ট জামিনে মুক্তি পান আসলাম চৌধুরী।