চোট পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সাদমান
সীমানার কাছে বল থামানোর চেষ্টায় অ্যাঙ্কলে চোট পান সাদমান ইসলাম, শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করে বাইরে নেওয়া হয় তাকে।
সিলেট টেস্টের নতুন সকালের শুরুতেই বাংলাদেশের জন্য ধাক্কা। ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পেলেন সাদমান ইসলাম। ব্যথার তীব্রতা এতোই বেশি ছিল যে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিতে হয়েছে বাঁহাতি ওপেনারকে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবারের অষ্টম ওভারের ঘটনা। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আলতো ছোঁয়ায় লেগ গ্ল্যান্স কর=রেন আমির জাঙ্গু। বল গড়াতে শুরু করে সীমানার দিকে। ফাইন লেগে ছুটতে থাকেন সাদমান।
সীমানার খুব কাছে গিয়ে স্লাইড করার সময় ঘাসে পিছলে যায় তার পা। ঘাসে আটকে গিয়ে উল্টে যায় তার তার বাম পা। মোচড়ও লাগে খুব বাজেভাবে।কোনোমতে বলটি ফিরিয়ে দিয়েই পা চেপে ধরে কাতরাতে থাকেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তার চোখেমুখে ফুটে ওঠে তীব্র ব্যাথার প্রকাশ।
সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসেন ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম। সীমানার কাছে এসে জড়ো হয় পুরো দলও। বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে প্রাথমিক শুশ্রূষা দিতে থাকেন। তাতে অবস্থান উন্নতি তেমন হয়নি। তাই মাঠে ডাকা হয় স্ট্রেচার।
নিজ থেকে স্ট্রেচারে ওঠার মতো অবস্থা ছিল না সাদমানের। কয়েকজন মিলে ধরে স্ট্রেচারে ওঠানো হয় তাকে। তখনও তার চোখে-মুখে ছিল তীব্র যন্ত্রণার ছাপ।
ফিজিও বায়েজিদুল পরে জানান, সাদমানের অ্যাঙ্কল 'টুইস্ট' হয়েছে এবং এমআরআই স্ক্যান করানোর জন্য পাঠানো হয়েছে তাকে।
ম্যাচ থেকে তিনি ছিটকে গেলে ম্যাচের দুই ইনিংসে ১০ জন নিয়েই ব্যাটিং করতে হবে বাংলাদেশকে। কারণ, মাথায় বা ঘাড়ে আঘাত পাওয়া ছাড়া আর কোনো চোটে বদলি নামানোর নিয়ম নেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে।
সাদমান ছিটকে গেলে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ের শক্তিও কমে যাবে অনেকটা। মিরপুরে প্রথম টেস্টে তার সেঞ্চুরির সৌজন্যেই প্রথম ইনিংসে লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচেই কনকাশনের কারণে ছিটকে গেছেন মুমিনুল। এবার সাদমানকে নিয়েও দেখা দিয়েছে শঙ্কা।
