Published : 11 Jan 2024, 07:23 PM
সিরিজ চলার সময়ে হয়েছে তুমুল আলোচনা, সেই সময়ে পাওয়া যায়নি ব্যাখ্যা। অনেক চর্চিত ব্যাপারটি নিয়ে মুখ খুললেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। বাঁহাতি এই পেসারও বলতে পারলেন না, সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তাদের বোলিংয়ের গতি কেন এত কম ছিল। তবে আভাস দিলেন কোনো গড়বড় হতে পারে স্পিড গানে!
পেসারদের জন্য বেশ সহায়ক অস্ট্রেলিয়ার উইকেট। কিন্তু ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে খেলা তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সেখানে গতির ঝড় তুলতে পারেননি পাকিস্তানের পেসাররা। হোয়াইটওয়াশড হয় পাকিস্তান।
মাঠের লড়াই শুরু হতেই পাকিস্তানি পেসারদের গতির অভাব নজরে পড়ে ওয়াকার ইউনিসের। পার্থ টেস্টের পর উত্তরসূরিদের গতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কিংবদন্তি এই পেসার।
পার্থে পাকিস্তানের পেসারদের খুব কম বল ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের গতি স্পর্শ করে। গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ১৩২-১৩৩ কিলোমিটার। সে সময় ওয়াকার বলেছিলেন, পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটেও এখন আর গতিময় বোলার দেখেন না তিনি।
এবার তাসমান সাগর পাড়ের আরেক দেশ নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে লড়বে পাকিস্তান। শুক্রবার শুরু পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এই সিরিজ দিয়ে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে পথচলা শুরু করবেন আফ্রিদি।
মাঠের লড়াই শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে ওঠে পাকিস্তানি পেসারদের গতির প্রসঙ্গ। সেখানে বাঁহাতি এই পেসার বললেন, অস্ট্রেলিয়ায় গতির অভাব অবাক করেছিল তাদেরও।
“সত্যি কথা বলতে, যখন আমরা বোলিং করছিলাম, বড় পর্দার দিকে নিজেরাই তাকাচ্ছিলাম। ‘সত্যিই কী এত কম গতি আমাদের!’ বুঝে উঠতে পারছিলাম না। বোলিং করার সময় শুরু থেকেই অনেক চেষ্টা করছিলাম, তারপরও গতি উঠছিল ঘণ্টায় ১৩২-১৩৩ কি.মি পর্যন্ত।”
“খুবই অবাক হয়েছিলাম। আর ভাবছিলাম, সম্প্রচারকরা কি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে স্পিড গানে এর চেয়ে বেশি গতি দেখাবে না?”
পাকিস্তান-নিউ জিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি সিরিজের পরের চার ম্যাচ মাঠে গড়াবে আগামী ১৪, ১৭, ১৯ ও ২১ জানুয়ারি।