১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতীয় দর্শকদের চুপ করাতে ও হৃদয় ভাঙতে ‘প্রস্তুত’ নিউ জিল্যান্ড

মিচেল স্যান্টনারের মতে, ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য ভারতের ওপরই বেশি চাপ থাকবে।

ভারতীয় দর্শকদের চুপ করাতে ও হৃদয় ভাঙতে ‘প্রস্তুত’ নিউ জিল্যান্ড
ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে মিচেল স্যান্টনার। ছবি: স্ক্রিনশট

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Mar 2026, 08:58 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:06 PM

পরিষ্কার ফেভারিট হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নামবে ভারত। নিজেদের ‘আন্ডারডগ’ ভাবতে আপত্তি নেই মিচেল স্যান্টনারের। একই সঙ্গে নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক বলে দিলেন, গ্যালারির লাখো দর্শককে চুপ করিয়ে দিতে ও তাদের হৃদয় ভাঙতে তাদের খারাপ লাগবে না।  

শিরোপার মঞ্চে রোববার ভারতের মুখোমুখি হবে নিউ জিল্যান্ড। এক লাখের বেশি দর্শক নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দর্শক ধারণ ক্ষমতার এই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারেন এক লাখ ৩২ হাজার দর্শক। দর্শকদের বড় অংশই যে থাকবে ভারতীয় সমর্থক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মাঠের ১১ জন ছাড়াও যারা হবেন নিউ জিল্যান্ডের বড় প্রতিপক্ষ।

গত ১১ বছরে সাদা বলের চারটি আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলে একবারও জিততে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। সেমি-ফাইনালে গতবারের রানার্সআপ দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে ফাইনালে আসা স্যান্টনার অবশ্য বললেন, তাদের আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই।

“আমরা বেশ ধারাবাহিক, কারণ আমরা পরিস্থিতি বা প্রতিপক্ষকে নিয়ে ভয় না পাওয়ার চেষ্টা করি। আমরা কেবল মাঠে নামি এবং আমাদের কাজটি করি… সবাই জানে আমরা হয়তো ফেভারিট নই। তবে এতে আমাদের আপত্তি নেই। আমরা জানি, আমরা ছোট ছোট কাজগুলো ভালোভাবে করতে পারি এবং শক্তিশালী দলগত পারফরম্যান্স দেখাতে পারি।”

“আর এটাই ট্রফি জয়ের জন্য আমাদের বেশ ভালো অবস্থানে রাখবে। ট্রফি উঁচিয়ে ধরার জন্য কিছু হৃদয় ভাঙতে আমার আপত্তি নেই।”

এই মাঠেই ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বলেছিলেন, দর্শকদের চুপ করিতে দিতে চান তারা এবং ভারতকে হারিয়ে সেটা তারা করেও দেখিয়েছিলেন। একই সুর স্যান্টনারের কণ্ঠে। ৩৪ বছর বয়সী এই স্পিনিং অলরাউন্ডারের মতে, স্বাগতিকদের ওপরই চাপটা থাকবে বেশি।

“এটাই লক্ষ্য, দর্শকদের চুপ করিয়ে দেওয়া। কিন্তু ক্রিকেটে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে এবং সেগুলো পরিবর্তন হয়। অবশ্যই ঘরের মাঠে এই বিশ্বকাপ জয়ের জন্য (ভারতের ওপর) অনেক চাপ রয়েছে।”

ভারতের সামনে শিরোপা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। ফাইনালের আগে আসরে একটি ম্যাচই তারা হেরেছে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেই হারটি এই আহমেদাবাদেই।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউ জিল্যান্ডকে কখনও হারাতে পারেনি ভারত। তিন ম্যাচের সবকটিতে জয় কিউদের।