Published : 18 Feb 2026, 05:23 PM
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বেশ কয়েকটি সেঞ্চুরি আছে সাহিবজাদা ফারহানের। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে পাচ্ছিলেন না তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া। এবার সেই অপূর্ণতা ঘোচালেন পাকিস্তানের ওপেনার। সঙ্গে দেশের দীর্ঘ এক অপেক্ষার অবসানও ঘটালেন তিনি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবার নামিবিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঠিক ১০০ রান করেন সাহিবজাদা। তার অপরাজিত ইনিংসটি সাজানো চারটি ছক্কা ও ১১টি চারে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন সাহিবজাদা। এক যুগ আগে, ২০১৪ আসরে বাংলাদেশের বিপক্ষে মিরপুরে অপরাজিত ১১১ রান করেছিলেন আহমেদ শেহজাদ।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এনিয়ে সপ্তমবার শতকের স্বাদ পেলেন ২৯ বছর বয়সী সাহিবজাদা। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এই সংস্করণে তার চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে কেবল বাবর আজমের। ১১ বার তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন বাবর।
বিশ্বকাপের চলতি আসরে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি। সাহিবজাদার আগে শতকের স্বাদ পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার পাথুম নিসাঙ্কা ও কানাডার ইউভরাজ সিং সামরা। এই প্রতিযোগিতার এক আসরে এত সেঞ্চুরি দেখা যায়নি আগে কখনও। দুটি করে সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১০, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০২২ আসরে।
কলম্বোতে এদিন প্রথম বলে সিঙ্গল নিয়ে রানের খাতা খোলেন সাহিবজাদা। মুখোমুখি পরের ডেলিভারিতে চার মারেন তিনি। পরে জ্যাক ব্রাসেলকে তিন বলের মধ্যে হাঁকান দুই চার।
নবম ওভারে উইলেম মাইবার্গকে টানা দুটি ছক্কায় ওড়ান সাহিবজাদা। এক ওভার পর ফিফটিতে পা রাখেন তিনি, ৩৭ বলে।
পঞ্চাশের পর আগ্রাসী হয়ে ওঠেন সাহিবজাদা। রুবেন ট্রাম্পেলমানকে টানা দুই চারের পর জেজে স্মিট ও ব্রাসেলকে মারেন একটি করে ছক্কা ও চার। ইনিংসের শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে সিঙ্গল নিয়ে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পা দেন সাহিবজাদা, ৫৭ বলে।
ফিফটি থেকে সেঞ্চুরি ছুঁতে সাহিবজাদার লাগে কেবল ২০ বল।
সাহিবজাদার পাশাপাশি সালমান আলি আগা ও শাদাব খানের কার্যকর দুটি ইনিংসে ১৯৯ রানের পুঁজি গড়ে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৬ আসরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১ রান তাদের রেকর্ড।