১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাপ নেই তো মজাও নেই সুরিয়াকুমারের

দেশের মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনালের চাপ অনুভব করছেন ভারতীয় অধিনায়ক সুরিয়াকুমার ইয়াদাভ, তবে সেই চাপ তিনি উপভোগ করছেন।

চাপ নেই তো মজাও নেই সুরিয়াকুমারের
ফাইনাল শেষে এই ট্রফিই উঁচিয়ে ধরতে চান সুরিয়াকুমার। ছবি: আইসিসি।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Mar 2026, 11:59 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:06 PM

টুর্নামেন্টজুড়ে কথাটি বেশ কবারই বলেছেন সুরিয়াকুমার ইয়াদাভ। চাপ ব্যাপারটিকে কখনও অস্বীকার করেন না বা এড়িয়ে যান না তিনি। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ম্যাচের আগেও তার কণ্ঠে ফুটে উঠল সেই দর্শনের প্রকাশ। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ভারতীয় অধিনায়ক বললেন, বরাবরের মতোই চাপ উপভোগ করছেন তিনি।

চাপের ম্যাচ আগেও খেলেছেন সুরিয়াকুমার। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আহমেদাবাদের এই নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামেই হৃদয়ভাঙা সেই ফাইনালে খেলেছিলেন তিনি। এখনও পর্যন্ত তার শেষ ওয়ানডে হয়ে আছে সেটিই। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে অন্তিম সময়ে তার দুর্দান্ত এক ক্যাচ ভারতের জয়ে রেখেছিল বড় ভূমিকা। এবার আরেকটি ফাইনাল। আহমেদাবাদে রোববার তিনি খেলবেন নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে। 

আগের দুই ফাইনালের চেয়েও তার জন্য এটির বিশেষত্ব আলাদা, কারণ এবার তিনি অধিনায়ক। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক হওয়ার অসাধারণ অর্জনের হাতছানি তার সামনে।

এমন ম্যাচের আগে রোমাঞ্চে হাবুডুব খাচ্ছেন তিনি। দেশের মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনাল, শত কোটি মানুষের প্রত্যাশা, সব চাপকেও আলিঙ্গন করে নিচ্ছেন ৩৫ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। 

“এটা স্পেশাল অনুভূতি যে কালকে (রোববার) দলকে নেতৃত্ব দেব, এমন অসাধারণ একটি দলকে ফাইনালে নেতৃত্ব দেব। সেটিও দেশের মাঠে এবং এরকম দুর্দান্ত এক স্টেডিয়ামে। দারুণ অনুভূতি ও সবাই মুখিয়ে আছে মাঠে নামতে।”

“স্নায়ুর চাপ অবশ্যই আছে। পেটে প্রজাপতির নাচন অনুভব করব। তবে সবসময়ই যেটা বলি, চাপ না থাকলে তো মজাও নেই। কাজেই আমি খুবই রোমাঞ্চিত এবং দলের সব ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ সবাই রোমাঞ্চিত। আমি নিশ্চিত, গোটা দেশই রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষায়।”

২০২১ সালের মার্চে এই আহমেদাবাদেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক তার। ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসে ৩১ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন এই মাঠেই। এখন সেখানেই দলকে নেতৃত্ব দেবেন বিশ্বকাপ ফাইনালে। 

সেই রোমাঞ্চ তার সঙ্গী। তবে ফাইনালে আলাদা কিছু নয়, বরং ছুটতে চান চেনা পথ ধরেই। 

“ছয় বছর বেশ লম্বা সময়। এই পথচলায় এসে দলকে এমন একটি মঞ্চে নেতৃত্ব দিতে পেরে আমি খুবই খুশি। আমার পরিবারের জন্যও দারুণ সময়। এখন মাঠে নামার অপেক্ষা।”

 “আমরা সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে চাই। খুব জটিল করতে চাই না। ভালো অনেক কিছুই আমরা করে আসছি, সেগুলোই করে যেতে চাই।”