Published : 18 Feb 2026, 04:35 PM
ভারতের বিপক্ষে জিততে যেন ভুলে গেছে পাকিস্তান। দলটির সমর্থকদের হতাশা তাই বেড়েই চলেছে। এবারের বিশ্বকাপে তো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি বাবর-সালমানরা। দলটির আলোচিত স্পিনার উসমান তারিক বললেন, আবার দেখা হলে প্রতিবেশীদের হারিয়ে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তারা।
রাজনৈতিক বৈরি সম্পর্কের কারণে এক যুগের বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলে না ভারত-পাকিস্তান। এশিয়ার দল দুটির দেখা হয় কেবল আইসিসি ও এসিসির প্রতিযোগিতায়।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে ১৭ বারের দেখায় কেবল একবারই জিতেছে পাকিস্তান। ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রোহিত শার্মা, ভিরাট কোহলিদের ১০ উইকেটে হারিয়েছিল বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দল।
এরপর আর কোনো প্রতিযোগিতায়ই ভারতকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান। চার বছর আগের পাকিস্তানের ওই জয়ের পর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই সংস্করণ মিলিয়ে ১০ বার দেখা হয়েছে দুই দলের। যার মধ্যে একটি ম্যাচ ভেস্তে গেছে বৃষ্টিতে।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটিতে ভারতের কাছে পাত্তাই পায়নি পাকিস্তান। যে মাঠে টুর্নামেন্টের শুরু থেকে খেলেছে পাকিস্তান, সেখানেই তাদের বিপক্ষে ৬১ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে সুরিয়াকুমারের দল।
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চায় পাকিস্তান, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন তারিক।
“আগের ম্যাচের ভুলগুলো নিয়ে কাজ না করলেই কেবল দলের পারফরম্যান্সের উন্নতি করা কঠিন হয়। আমরা আমাদের ভুলগুলো নিয়ে কাজ করেছি, তাই মনে হয়, এটা (ঘুরে দাঁড়ানো) খুব একটা কঠিন হবে না। একই ভুল আবার না করতে আমরা কাজ করেছি।”
ভারতের সঙ্গে আবার দেখা হলে, তাদেরকে হারিয়ে ক্ষতে প্রলেপ দিতে চায় পাকিস্তান। হাসি ফোটাতে চায় সমর্থকদের মুখে।
“আমরা সমর্থকদের হতাশা বুঝতে পারছি, কারণ ম্যাচটি পুরো দেশ দেখেছে। তাদের কষ্ট আমরা বুঝি। তবে আমি নিশ্চিত, পরেরবার যখন ভারতের বিপক্ষে খেলব, আরও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেব।”
ভারতের বিপক্ষে ভালো করতে পারেননি দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার শাহিন শাহ আফ্রিদি ও বাবর আজম। তাদেরকে দল থেকে বাদ দিতে বলছেন অনেকেই। তবে দলের সেরা দুই ক্রিকেটারকে এখনই বাতিলের খাতায় ফেলতে নারাজ তারিক।
“(বাবর) আজম ও শাহিন (আফ্রিদি) দুজনেই পাকিস্তানকে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেন। তাই এক ম্যাচে ভালো না খেললেই তাদেরকে হিসাবের বাইরে ফেলে দেওয়া উচিত নয়।”