Published : 17 Feb 2026, 04:25 PM
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ক্রিজে গিয়ে দলের জয় সঙ্গে নিয়ে ফিরলেন গ্লেন ফিলিপস। কানাডার বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে উপহার দিলেন পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। এই পারফরম্যান্স তাকে এনে দিল ম্যাচ সেরার স্বীকৃতি। আর তাতে একটি কীর্তি গড়ে আরেকটির কাছে পৌঁছে গেলেন নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটার।
চেন্নাইয়ে মঙ্গলবার কানাডার বিপক্ষে কিউইদের ৮ উইকেটের জয়ে বড় অবদান রাখেন ফিলিপস। ১৭৩ রান তাড়ায় অর্ধ ডজন ছক্কা ও এক হালি চারে ৩৬ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে তিনটি ক্যাচও ধরেন দুর্দান্ত ফিল্ডার হিসেবে পরিচিত ফিলিপস। সঙ্গে এক ওভার করে উইকেট না পেলেও রান দেন কেবল ছয়। সব মিলিয়ে, ম্যাচ সেরার পুরস্কার ওঠে তাই তারই হাতে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এনিয়ে দ্বিতীয়বার ‘ম্যান অব দা ম্যাচ’ হলেন ফিলিপস। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে তার চেয়ে বেশিবার এই স্বীকৃতি পাননি কেউ। দুইবার করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন ইয়ান বাটলার, মার্টিন গাপটিল, দুই ভাই ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম ও ন্যাথান ম্যাককালাম, টিম সাইফার্ট ও কেন উইলিয়ামসন।
আর টি-টোয়েন্টিতে এনিয়ে নবমবার ম্যাচ সেরা হলেন ফিলিপস। নিউ জিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মধ্যে তার চেয়ে বেশিবার এই সম্মাননা পেয়েছেন কেবল একজন-গাপটিল। ১২২ ম্যাচ খেলে ১০বার ‘ম্যান অব দা ম্যাচ’ হন সাবেক ওপেনার। ৯২ ম্যাচ খেলেই তার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন ফিলিপস।
কানাডার বিপক্ষে এদিন প্রথম ছয় বলে পাঁচ রান করা ফিলিপস সপ্তম ওভারে সাদ বিন জাফারকে টানা দুই চার মেরে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। পরের চার ওভারে পাঁচটি ছক্কায় ওড়ান তিনি। পঞ্চম ছক্কায় ২২ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি ফিলিপসের দ্বাদশ ফিফটি।
এরপর নিজের ইনিংসকে আরও এগিয়ে নেন ফিলিপস। তাকে দারুণ সঙ্গ দেওয়া রাচিন রাভিন্দ্রা অপরাজিত থাকেন তিনটি ছক্কা ও চারটি চারে ৫৯ রান করে। তাদের দুইজনের বিধ্বংসী জুটিতে ৭৩ বলে আসে ১৪৬ রান।
ফিলিপস-রাভিন্দ্রার অবিচ্ছিন্ন যুগলবন্দিতে ২৯ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউ জিল্যান্ড। এই জয়ে বিশ্বকাপের সুপার এইটে খেলা নিশ্চিত করে তারা।