পাগলাটে ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিংয়ে এনগিডির দুইয়ে দুই
কানাডার পর আফগানিস্তানের বিপক্ষেও ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতলেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেসার।
মহানাটকীয়তায় শেষ হওয়া লড়াইয়ে মূল ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন লুঙ্গি এনগিডি। রান উৎসবের রোমাঞ্চকর ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেসার।
আহমেদাবাদে বুধবার ‘ডি’ গ্রুপে আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াইয়ে যেন বলে বলে পাল্টায় ম্যাচের চিত্র। মূল লড়াই হয় টাই। শেষ বলের ছক্কায় প্রথম সুপার ওভারও হয় টাই! দ্বিতীয় সুপার ওভারে কোনোমতে জিতে যায় এইডেন মার্করামের দল।
এতবার দিক পাল্টেছে ম্যাচ, এত চাপ সইতে হয়েছে যে, ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় এর সঙ্গে তুলনীয় কিছু খুঁজে পেলেন না এনগিডি।
“আজ অনেকটা ওজন কমেছে। আমার জীবনে কোনো ক্রিকেট ম্যাচে এতটা চাপ অনুভব করিনি। শেষ পর্যন্ত জিততে পেরে খুশি। জানতাম, আমাকেই হয়তো সুপার ওভারে বল করতে হবে। অধিনায়ক বলেছিল, একইভাবে বল করতে। প্রথম ওভারে প্রত্যাশা অনুযায়ী বল করতে পারিনি, পরিকল্পনা কাজে লাগেনি।”
ম্যাচের প্রথম সুপার ওভার করেন এনগিডি। দুই চার ও এক ছক্কায় দেন ১৭ রান। মূল ম্যাচে অবশ্য দুই দল মিলিয়েই সবচেয়ে হিসেবী বোলার ছিলেন তিনি। ২৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ইব্রাহিম জাদরানকে বিদায় করে শুরুর জুটি ভাঙার পর, শূন্য রানে ফেরান গুলবাদিন নাইবকে। পরে নেন আজমাতউল্লাহ ওমারজাইয়ের উইকেট।
এরপরও শেষ ওভারে কাগিসো রাবাদার এলোমেলো বোলিংয়ে হারতে বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রায় অসম্ভব এক জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে শেষে ৩ বলে ২ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি আফগানিস্তান।
দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৭ উইকেট নিলেন এনগিডি। কানাডার বিপক্ষেও ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে এ নিয়ে পাঁচবার ম্যাচ সেরা হলেন তিনি, বিশ্বকাপের তৃতীয়বার।
