Published : 12 Jan 2026, 05:05 PM
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতেরই অন্য দুটি ভেন্যুতে খেলার প্রস্তাব দিতে পারে আইসিসি, এমন খবর বেরিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সচিব দেবাজিৎ সাইকিয়া জানালেন, ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়ে এখনও তাদের কিছু জানায়নি আইসিসি। এই বিষয়ে আইসিসি কোনো সিদ্ধান্ত জানালে আয়োজক হিসেবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেন তিনি।
নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নিতে আইসিসিকে দুই দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সোমবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর জন্য বিকল্প ভেন্যু বিবেচনা করছে। তবে লজিস্টিক জটিলতায় সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা কম এবং ভারতেই বিকল্প ভেন্যুর কথা ভাবছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কলকাতা ও মুম্বাইয়ের পরিবর্তে চেন্নাই ও ত্রিভান্দ্রামকে নাকি সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে বিসিসিআই সচিব দেবাজিৎ বললেন, এই বিষয়ে এখনও আইসিসির কাছ থেকে কোনো তথ্য তারা পাননি।
“বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিসিসিআই কোনো তথ্য পায়নি এবং বিষয়টি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এটি বিসিবি ও আইসিসির বিষয়, কারণ আইসিসি হলো নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যদি আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়, তাহলে আয়োজক হিসেবে বিসিসিআই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। এই মুহূর্তে আমরা এই ধরনের কোনো তথ্য সম্পর্কে অবগত নই।”
মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া নিয়েই এই টানাপোড়েনের শুরু। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও ধর্মীয় কিছু গোষ্ঠীর প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশের পেসারকে দল থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দেয় ভারতীয় বোর্ড। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স।
পাল্টা জবাবে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে আগামী মাসের বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার ঘোষণা দেয় বিসিবি। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠি পাঠায় তারা। পরে বিসিসি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ভারতের অন্য কোনো শহরে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিসিবি তা মানবে না।
ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনী দিনেই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হওয়ার কথা বাংলাদেশের। গ্রুপ পর্বে ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দুটিও কলকাতায়, শেষটি নেপালের বিপক্ষে মুম্বাইয়ে।