Published : 15 Jul 2025, 08:21 PM
লর্ডস টেস্টে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ভারতের হারের পর শুবমান গিলের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মোহাম্মদ কাইফ। দেশটির সাবেক এই ব্যাটসম্যানের মতে, জ্যাক ক্রলির সঙ্গে গিলের কথার লড়াই উজ্জীবিত করেছিল ইংল্যান্ডকে। এখান থেকে ভারতের নতুন টেস্ট অধিনায়ক শিখবেন বলে মনে করেন তিনি।
অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফির তৃতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের ঘটনা এটি। প্রথম ইনিংসে দুই দলের সমান স্কোরের পর দিনের শেষ সময়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে ইংল্যান্ড। জাসপ্রিত বুমরাহর ওভারে বারবার ক্রলির সময়ক্ষেপণের চেষ্টায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন গিল। স্লিপ থেকে ইংলিশ ওপেনারকে কিছু একটা বলেন তিনি।
ওভারের চতুর্থ বলে ক্রলি আঙুলে আঘাত পেয়ে ফিজিওকে ডাকলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাকে লক্ষ্য করে ব্যাঙ্গাত্মকভাবে তালি দিতে থাকেন গিলসহ ভারতের কয়েকজন। এরপর দৌড়ে তার দিকে এগিয়ে যান গিল।
ভারত আরেকটি ওভারের চেষ্টা করলেও, সেদিন এক ওভারের বেশি খেলা হতে পারেনি। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড অলআউট হয় ১৯২ রানে। লক্ষ্য তাড়ায় শেষ দিন ৬ উইকেট হাতে নিয়ে ভারতের দরকার ছিল ১৩৫ রান। ৮২ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর শেষ তিনটি জুটিতে আশা জাগান রাভিন্দ্রা জাদেজা। কিন্তু ২২ রানে হেরে যায় সফরকারীরা।
শেষ দিন অনেকটা আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে মাঠে নেমেছিল বেন স্টোকসের দল। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল তারা। যেখানে তারা সফল।
ভারতের হয়ে ১৩ টেস্ট ও ১২৫ ওয়ানডে খেলা কাইফ মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ক্রলির সঙ্গে গিলের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা বড় প্রভাব রেখেছে ইংল্যান্ডের জয়ে।
“জ্যাক ক্রলির সঙ্গে শুবমান গিলের কথার লড়াই ইংল্যান্ডকে উজ্জীবিত করেছিল। এজবাস্টনের (দ্বিতীয় টেস্ট) পর ওদের ব্যাটিং, বোলিং ও অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু ওই ঘটনা স্টোকসকে তাতিয়ে দেয় এবং সে দারুণ বোলিং করে। নিজের জন্য কাজে দেয়, এমন মনোভাব ধরে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। গিল এটা শিখবে।”
লর্ডসে জিতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড। আগামী ২৩ জুলাই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু হবে চতুর্থ টেস্ট।