Published : 08 May 2026, 09:13 PM
দ্বিতীয় নতুন বল এখনও বেশ তরতাজা। উইকেটে পেসারদের জন্য সহায়তা তো আছেই। দ্বিতীয় দিন সকালে তাই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা ছাড়ছেন না পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মাদ আব্বাস। বাংলাদেশ দলও তাকিয়ে ওই প্রথম ঘণ্টাতেই। মুমিনুল হকের ধারণা, প্রথম ঘণ্টা নিরাপদে কাটিয়ে দিতে পারলে ৫০০ রানও করতে পারে তাদের দল।
পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ তুলেছে ৪ উইকেটে ৩০১ রান। সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, ৯১ রানের ইনিংস খেলেছেন মুমিনুল হক। তাদের দুজনের জুটি ছিল ১৭০ রানের।
অথচ টস জিতে বোলিং নিয়েছিল পাকিস্তান। মিরপুরের সবুজ উইকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপে ছোবল দেবেন পাকিস্তানি পেসাররা, এমন আশাই ছিল অধিনায়ক শান মাসুদের। দুই ওপেনারকে দ্রুত ফিরিয়ে শুরুটাও ভালো ছিল তাদের। কিন্তু দিনের ওই প্রথম ঘণ্টা ছাড়া বাকি সময়টা ছিল কেবলই বাংলাদেশের।
সারাদিনে কেবল চারটি উইকেট মিললেও দিনটিকে খুব খারাপ মনে করছেন না মোহাম্মাদ আব্বাস। পাকিস্তানের পেসার কিছুটা দায় দিলেন ভাগ্যকে। আশা নিয়ে তাকিয়ে তিনি দ্বিতীয় দিনের সকালে।
“আমার মনে হয় না দিনটা হতাশাজনক ছিল। আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। হ্যাঁ, কিছু কিছু সময়ে আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি, কিন্তু অন্য সময়ে আমরা সত্যিই খুব ভালো বোলিং করেছি এবং কিছুটা দুর্ভাগা ছিলাম। অনেকবার ‘প্লে অ্যান্ড মিস’ (একটু জন্য ব্যাটের কানায় বল স্পর্শ না করা) হয়েছে দিনজুড়েই।”
“খুব ভালো ক্রিকেটীয় পিচ এটি এবং এবং যেহেতু আমাদের হাতে এখন নতুন বল, আশা করি আগামীকাল ফিরে এসে শুরুতেই উইকেট তুলে নেব এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের ইনিংস শেষ করে দেব।”
মুমিনুলের চাওয়া স্বাভাবিকভাবেই এর উল্টো। তার আশা, ক্রিজে থাকা ব্যাটসমানরা প্রথম ঘণ্টা নিরাপদে পার করে দিতে পারবে।
“কালকে সকালের এক ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। উইকেট না হারিয়ে ওই সময়টা পার করতে পারলে ৪০০-৫০০ রান হতে পারে। বল নতুন আছে। উইকেটে এখনও অনেক কিছু হচ্ছে, তাই প্রথম এক ঘণ্টা ভালো খেলাটা জরুরি।”
বাংলাদেশের বড় ভরসা হয়ে ক্রিজে টিকে আছেন মুশফিকুর রহিম। ৪৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করবেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। তার সঙ্গী লিটন কুমার দাস। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই কিপার-ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং গড় ৬১, সেঞ্চুরি করেছেন দুটি।