Published : 26 Mar 2026, 03:00 PM
আইপিএল খেলতে ভারতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্যাট কামিন্স। নেটে বোলিংও করছেন। তবে ম্যাচ খেলতে পারবেন কবে, সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না তিনি। তবে মাঠে ফেরার সম্ভাব্য এটি ছবি মেলে ধরলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নতুন করে আর চোট মাথাচাড়া না দিলে আইপিএলের মাঝামাঝি নাগাদ তিনি মাঠে নামার আশা করছেন।
কামিন্স সবশেষ ম্যাচ খেলেছেন গত ডিসেম্বরে। অ্যাশেজের অ্যাডিলেইড টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়ে নেতৃত্ব দেন তিনি। দারুণ বোলিংয়ে উইকেট নেন ৬টি। এরপরই আবার ছিটকে পড়েন বাইরে। গত জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর এই ৮ মাসে তার একমাত্র ম্যাচ অ্যাশেজের ওই টেস্ট। পিঠের চোটের কারণে অ্যাশেজের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তাকে পায়নি অস্ট্রেলিয়া।
আইপিএল শুরুর আগে তিনি যোগ দিয়েছেন সানরাইজার্স দলের সঙ্গে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে শনিবার কামিন্সদের ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে এবারের বিপিএল। বেঙ্গালুরুতে দলের সঙ্গে অনুশীলনও করছেন তিনি। তবে এখনই যে ম্যাচ খেলতে পারছেন না, তা জানানো হয়েছে আগেই।
‘বিজনেস অব স্পোর্টস’ পডকাস্টে গত সপ্তাহে রেকর্ড করা পর্ব প্রকাশিত হয়েছে বুধবার, যেখানে মাঠে ফেরার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন কামিন্স।
“এখনও পিঠের চোট থেকে সেরে উঠছি ক্রমে, তবে এখন ভালো আছি। নেটে বোলিং শুরু করেছি। আইপিএল শুরু হচ্ছে শিগগিরই। সেটার শুরুতে খেলতে পারব না, তবে ফিরতে খুব বেশি দেরি হবে না।”
“বোলিং শুরু করেছি। এই মুহূর্তে মূলত প্রতি তিন দিনে একদিন বোলিং করছি। পুরোপুরি ফিট হয়ে টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে মাঠে নামার একটি পরিকল্পনা আমরা তৈরি করেছি। যদি কোনো সমস্যা না হয়, আশা করি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ভাগ ও চূড়ান্ত পর্বে খেলতে পারব।”
কামিন্সের অনুপস্থিতির সময়টায় সানাইজার্সকে নেতৃত্ব দেবেন ইশান কিষান। তার নেতৃত্ব গত ডিসেম্বরে সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির শিরোপা জিতেছে ঝাড়খাণ্ড। কিষান ও দলের স্থানীয় ক্রিকেটারদের ওপর ভরসা রাখছেন কামিন্স।
“গত বছর ও এই সময়টায় স্থানীয় দলের নেতৃত্বে সফল সময় কাটিয়েছে ইশান। এই মানুষগুলোর ওপর এমনিতেই নির্ভর করতে হয়। স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে বেশ অভিজ্ঞ একটি বোলিং গ্রুপ আছে আমাদের। মৌসুমের শুরুতে যখন কিছু তরুণ ক্রিকেটার উঠে আসে, যাদের হয়তো ততটা ভালোভাবে চিনি না আমি তখন সেই স্থানীয়দের ওপরই নির্ভর করি, যারা তাদের ভালোভাবে চেনে, বা তাদের ভাষায় কথা বলতে পারে।”
“বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই খুব ভালো ইংরেজি বলে, কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ কেউ পারে না এবং স্থানীয় উপভাষাও আছে, তাই একজন আন্তর্জাতিক অধিনায়কের জন্য এটা কিছুটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।”