Published : 12 Sep 2025, 03:09 PM
জাকসু ভোট গণনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করে হাতে ভোট গণনার পদ্ধতির সমালোচনা করেছেন ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু।
শুক্রবার সকালে জাকসু সিনেট ভবনে ভোট গণনা কার্যক্রমে অংশ নেন শিক্ষক জান্নাতুল। সেখানে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়।
শুক্রবার বেলা ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে প্রিয় শিক্ষিকা জান্নাতুলকে শেষবারের মত দেখতে সেখানে ভিড় করেন শিক্ষার্থীরা। ডাকসু নির্বাচনের বিভিন্ন পদের প্রার্থীরাও যান।
জানাজার আগে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে এসেও যদি আমরা ‘ম্যানুয়াল’ পদ্ধতিতে পড়ে থাকি তাহলে সেটি আমাদের জন্য জটিল হয়ে যায়।
“আমরা দেখেছি নির্বাচনে এত বেশি সংখ্যক ভোটারের ভোট গ্রহণের পর ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনাটা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার ছিল।”
তিনি বলেন, “যদি মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা করা হতো, তাহলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকত না বলে আমরা মনে করি। মেশিনে ভোট গণনা হলে হয়তো ম্যামকেও হারাতে হতো না।
“জাকসুর ভোট চলাকালে নানা ঘটনা ঘটছে। তার মধ্যে ভোট গণনার সময় একজন শিক্ষকের এমন মৃত্যুর বিষয়টি তীব্র শোকের।”
এর আগে জাকসু নির্বাচনের দিন বৃহস্পতিবার ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন জিতু।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে মওলানা ভাসানী হল পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার দেখেছি, অনেকগুলো হলে ইসলামী ছাত্রশিশির তারা তাদের প্রার্থীদের প্রচারপত্র বিলি করছে। এটা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
“এ ছাড়া বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের একটি কক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অবস্থান করছিলেন। তাকে সেই হলের প্রভোস্ট ও সাংবাদিকরা বের করে দিয়েছে।”
এ ছাড়া বিভিন্ন হল কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার সময় ভোটারের আঙুলে মার্কার দিয়ে দাগ না দেওয়ারও অভিযোগ করেছছিলেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন প্যানেলের এ ভিপি প্রার্থী।