Published : 09 May 2026, 06:08 PM
দেশের জ্বালানি সংকটের পরিস্থিততে ইতিবাচক মনোভাব ধরে রেখে শিল্প-কারখানা এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, “দেশে ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে তুলনামূলক সস্তা গ্যাস ও জ্বালানি এবং শ্রমের কারণে। কিন্তু ২০২২ সালের পর থেকে আমরা আর সস্তা গ্যাস ও জ্বালানি বলতে পারছি না।
“প্রতি বছর প্রায় ১০০ এমএমসিএফ গ্যাস উত্তোলন কমছে। সরকার এটা এলএনজি আমদানির মাধ্যমে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করছে।”
তিনি বলেন, “দেশের ইন্ডাস্ট্রি ও কর্মসংস্থানের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এনার্জি। এদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এখন ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে।”
শনিবার সকালে বিসিআইয়ের পর্ষদ কক্ষে ‘ফিউচার অব এনার্জি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেন, “সরকার আমাদের বাইরের কেউ না, সরকার আমাদেরই। আমরা যেমন চাই না আমার ইন্ডাস্ট্রি বসে যাক ও কর্মসংস্থান কমে যাক, সরকারও চায় না।
“এ ধরনের সমস্যা থেকে কীভাবে উত্তরণ হওয়া সম্ভব, কীভাবে ভবিষ্যৎ আরো সুরক্ষিত হবে, তার নির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে সরকারকে বোঝাতে হবে, যাতে সরকারও বিষয়গুলো ইতিবাচক ভাবে নিতে পারে।”
বৈঠকে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, “কিছু ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে আসতে হবে। এখানে ল্যান্ড বেইজড এফএসআরইউ কথা এসেছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে। নিজস্ব জ্বালানি নিরাপত্তার দিকে এগোতে হবে। সোলার একটি সমাধান হতে পারে “
তিনি বলেন, “জ্বালানি বিষয়ে একটি মনিটরিং সেল থাকা দরকার। এখানে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে হতে পারে। আমাদের সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।
“আমি মনে করি ব্যবসায়ী ও সরকার একসঙ্গে কাজ করলে জ্বালানির সমস্যা সমাধান হবে।”