Published : 25 May 2026, 01:39 AM
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ২৪টি হাটে রোববার থেকে পশু বেচা-কেনা শুরু হয়েছে; তবে এগিয়ে আছে অনলাইনে পশু বিক্রির ওয়েবসাইট ও ফেইসবুক পেইজগুলো।
অনলাইনের বিক্রেতা ও খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইতোমধ্যে অনেকের কোরবানির পশু বিক্রি করা শেষ। আবার কারও কাছে বাকি আছে অল্প কয়েকটি।
মানুষ এখন অনলাইনে কেনাকাটায় অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে না কোরবানির পশুও। বর্তমানে দেশে অনলাইনে কয়েক কোটি টাকার পশু কেনা-বেচা হয় বলে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য।
কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শুধু আস্ত পশুই বিক্রি হয় না, রয়েছে নানারকম প্যাকেজ সুবিধা। সেখানে যেমন ভাগে কোরবানি দেওয়া যাচ্ছে, তেমনি কসাই ঠিক করা থেকে শুরু করে একদম প্রস্তুতকৃত মাংসও মিলছে।
প্রতিষ্ঠানভেদে নানারকম প্যাকেজ রয়েছে। ১৫ হাজার টাকার প্যাকেজ থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকার প্যাকেজ পাওয়া যায়। আস্ত পশুর ক্ষেত্রে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লাখ টাকা গুনতে হয় বাড়তি সেবার জন্য।
যানজট, পশুরহাটের ভিড়ভাট্টাসহ নানা ধরনের ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে কয়েক বছর ধরেই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে কোরবানির পশু কেনার আগ্রহ বাড়ছে।

২০২০ সালে মহামারীকালে প্রথমবারের মত ‘ডিজিটাল হাট’ নামে সরকারিভাবে একটি অনলাইনে পশু বিক্রির হাট চালু হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, আইসিটি ডিভিশন, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে ওই প্ল্যাটফর্ম চালু করে।
সে বছর ওই প্ল্যাটফর্মে ২৭ হাজার কোরবানির পশু বিক্রি হয়। ২০২১ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৮৭ হাজার। ২০২২ সালে প্রায় ৬০ হাজার পশু বিক্রি হয় ওই অনলাইন হাটে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালে প্ল্যাটফর্মটি বন্ধ হয়ে যায়।
অনেকেরই বিক্রি শেষের দিকে
বাংলাদেশে কোরবানির পশু বিক্রির অনলাইন বাজারগুলোর একটি ‘গরুরহাট ডটকম’। এখানে শ্রেণিভিত্তিক লাইভ ওয়েট (প্রকৃত ওজন) এবং দাম নির্ধারণ করে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের পশু বিক্রি হয়।
তাদের মূল বিক্রয়কেন্দ্র পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া থানায়। তারা শুধু পশুই বিক্রি করে না, গো-খাদ্য থেকে শুরু করে গরুর দুধের তৈরি বিভিন্ন মিষ্টান্ন, ঘির মত পণ্যও বিক্রি করে থাকে।
এ বছর গরু বিক্রির সাড়া কেমন? ‘গরুরহাট ডটকম’ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাগর আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বললেন, “আলহামদুলিল্লাহ, ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। দেশি গরুর চাহিদা বেশি। যেগুলো ক্রস ব্রিড, বা বিদেশি জাত, সেগুলোর চাহিদা অনলাইনে একটু কম।”
তিনি জানালেন, অনলাইনের হাটে বড় গরু মানুষ কম কেনে।
“দেখা যাচ্ছে যে, দেড় লাখ টাকার নিচের গরুগুলোর চাহিদা সবার কাছে বেশি এবং এই গরুগুলো আমাদের কোরবানির এক মাস আগেই সোল্ড আউট হয়ে গেছে। ৯০টার মত গরু সোল্ড আউট।”
সাগর বলেন, “আমাদের এবার স্টক কম ছিল। সত্যি বলতে, এবার বাজারের পরিস্থিতিটা আসলে বোঝা যাচ্ছিল না। যে কারণে আমরা ওইভাবে স্টক করিনি। আর আমরা আসলে নিজেদের খামারের গরুগুলোই বিক্রি করি।”

প্রান্তিক খামারিদের কাছ থেকে গরু নিচ্ছেন না বলেও জানান সাগর। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে যে অনেক প্রান্তিক খামারি ভ্যাক্সিন দেয় না। যখন আমরা গরুগুলো ডেলিভারি দিই, লম্বা সময় গাড়িতে থাকার কারণে অনেক সময় ক্ষুরারোগ বা এফএমডি রোগে আক্রান্ত হয়ে যায়; ভ্যাকসিন না থাকার কারণে। যে কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে আসলে আমাদের খামারের গরুগুলোই শুধু আমরা সেল করব।
“আমাদের স্টকে ছিল ১০০টার মতো গরু। ৯০টার মত দেশি গরু ছিল, সেগুলো এক মাস আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। স্টকে এখন দুইটার মতো গরু আছে। আর সময় তো বেশি নাই। অনলাইনে তো আসলে শেষ দিকে এসে বেচাকেনা রিস্ক হয়ে যায়।”
‘সরোবর লালন’ নামে একটি অনলাইনে পশু বিক্রির ওয়েবপেইজের জ্যেষ্ঠ বিক্রয় প্রতিনিধি মো. শামস বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের মোটামুটি ৯০ প্লাস গরু আনা হয়েছিল। এখন শুধু চারটা আমাদের স্টকে আছে। আমাদের নরমালি অনলাইনে এক মাস আগে থেকেই কেনাবেচা শুরু হয়ে যায়।”
শামসের দাবি, তারা ‘ইসলামি শরিয়ত’ অনুযায়ী গরু বিক্রি করেন।

“আমরা কোনো লাইভ ওয়েটে বা কেজি দরে গরু বিক্রি করি না। গরুর সার্বিক যে পরিস্থিতি, গরুর হাইট, কালার, লম্বা, উচ্চতা সবকিছু মিলেই আমরা গরুর দাম নির্ধারণ করে থাকি।”
তিনি বলেন, “আমাদের খামারের সিস্টেম হচ্ছে, যদি কেউ আমাদের গরু পছন্দ করে থাকে, সেক্ষেত্রে এটা ২৪ ঘণ্টা আমরা হোল্ডে রেখে দেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উনি আমাদের খামারে এসে গরু হাঁটিয়ে, গরু যেভাবে ইসলামিক শরিয়ত অনুযায়ী যেভাবে কেনার জন্য বলা হয়েছে, যে গরুর দাঁত, রং, গরুর কোনো ক্ষুঁত আছে কি না, গরু ল্যাংড়া কি না বা গরুর শারীরিক কোনো সমস্যা আছে কি না।
“সবকিছু দেখে এরপর সে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের কাছ থেকে গরু কিনতে পারবে। যদি গরু পছন্দ না হয়, এটা আমরা আবার স্টকইন করে দিই।”
ঢাকায় ‘সরোবর লালন’ এর দুটি খামার আছে। একটি ডেমরার ধার্মিকপাড়ায়, অন্যটি উত্তরার উত্তরখানে।
এছাড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জেও একটি খামার রয়েছে। গরুর পাশাপাশি মহিষ, ছাগল বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানটি। বিভিন্ন প্যাকেজে ভাগে কোরবানির সুবিধাও রয়েছে।
ঢাকার রামপুরার সামারাই ক্যাটেল ফার্মের স্বত্বাধিকারী ওয়াহিদুজ্জামান সামি খানও একইরকম তথ্য দিলেন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা গত বছর ৪৫৪টি গরু সেল করতে সক্ষম হয়েছি। এ বছর আমরা বড় গরুই স্টক করেছি ২৮০টি। এখন পর্যন্ত ৯০ পারসেন্ট সেল করেছি।”
বাজারে বেচাকেনা শুরুর আগেই অনলাইনে বিক্রি হয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “রোজার ঈদের পর থেকে আমরা খামারগুলা চালু করে দিই। সারা বছর যে গবাদিপশুগুলো পুষে রেডি করি, এগুলো রোজার ঈদের ঠিক এক সপ্তাহের ভেতরে আমরা ফেসবুকের মাধ্যমে, মেসেজের মাধ্যমে কাস্টমারকে হোয়াটস্যাপ থেকে শুরু করে নিজেরা ফোন দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি।
“বলি যে, আমরা ওপেন, আপনারা এসে কোরবানির গরুগুলো বুকিং করে দিতে পারেন। অনলাইনের মাধ্যমে যেমন আমরা এ বছর প্রবাসী ভাইদের কাছেও গরু বিক্রি করেছি।”
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ‘হাটবাজার ডট লিমিটেডের’ বিক্রয় এবং বাজারজাতকরণ বিভাগের কর্মী মো. জামিল নিয়াজী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তারা অনলাইনে পশু বিক্রি করে আসছেন ২০১৬ সাল থেকে। ভাগে কোরবানি দেওয়ার ব্যবস্থাও আছে।
“এখন পর্যন্ত আমাদের কাস্টমারের ফিডব্যাক খুবই ভালো। এ বছর আমাদের একশ থেকে দেড়শ গরু বিক্রি হয়েছে। গরুর পাশপাশি আমরা খাসিও বিক্রি করছি।”
তিনি জানান, ভাগের কোরবানিতে তাদের সর্বনিম্ন প্যাকেজ ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা। ১৭ হাজার ৫০০ টাকার আরেকটি প্যাকেজ ছিল, সেটা শেষ হয়ে গেছে।
প্রতিবন্ধকতা কী?
অনলাইনে পশু বিক্রির ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতার কথাও বললেন বিক্রেতারা। গরুরহাট ডটকমের সাগর আহমেদ বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হল পেমেন্ট সিস্টেম।
“অনেকেই ভাবে ‘এত টাকার গরু নিব, নেওয়ার পর কীভাবে পেমেন্টটা করব’। একটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকে, সে কারণে আসলে একটু সমস্যা হয়।”
সাগর বলেন, “আমরা সবসময় বলি যে আপনারা এসে দেখতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়, কিন্তু যেহেতু আমাদের ব্রাঞ্চ পাবনায়, একটু কঠিন হয়ে যায় ঢাকা থেকে আসা। এটা একটা সমস্যা।
“আর দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে, যারা শহরে থাকে, তাদের তো গরু রাখার সেরকম জায়গা নাই এবং লোকও নাই। তারা চায় ঈদের আগের দিন রাতে ডেলিভারিটা নিতে। কিন্তু এটাতো আমাদের জন্য খুব পেইনফুল হয়ে যায়। টাফ হয়ে যায়।

“কারণ ট্রাফিক জ্যামের যে বিষয়গুলো থাকে এবং গরু তো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়, এটা তো পণ্যের মত না। অনেক সময় লাগে এবং নামানো, উঠানো এই সমস্যাগুলা থাকে।”
তিনি বলেন, “এ বছর যে সমস্যাটা যুক্ত হয়েছে, সেটা হচ্ছে আমরা যখন অর্গানিকভাবে গরুগুলো লালন পালন করে বিক্রি করতে চাচ্ছি, এই গরুগুলোর দামটা বেশি পড়ে যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে যে আসলে অর্গানিকভাবে পেলে বিক্রি করতে গেলে দামের ব্যাপারে খুব নেগোসিয়েশন করতে হচ্ছে বা লাভ ওঠানো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”
সামারাই ক্যাটেল ফার্মের ওয়াহিদুজ্জামান সামি খান বললেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘অপব্যবহার’ ও ইউটিউবারদের দৌরাত্ম্যের কথাও বললেন।
দামি পশু বিক্রি হলে সেই খবর পোস্ট করলে পরে নানা ঝামেলা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার। আমাদের কাছ থেকে এখন কাস্টমারে গরু কিনতে চায় না। একটা ভালো গরু যদি কেউ কিনতে যায়, দুদক এবং মান-ইজ্জত, সম্মান, সোশ্যাল মিডিয়া ট্রায়াল, এগুলা থেকে সবাই একটু বেঁচে থাকতে চায়।
“মারাত্মক যে সমস্যাটায় আমরা পড়ি সেটা হচ্ছে ইউটিউবার। দেখা যাচ্ছে আপনারা যাচ্ছেন, জিজ্ঞেস করতেছেন এটা কত টাকা দিয়ে কিনলেন। সেটা জানার পরে একটা গরু যখন হাইপ উঠে মার্কেটে, সে গরুটা যখন একটু বেশি দামে বিক্রি হয়, কাস্টমার যখন কিনে, তারপরই তার পেছনে লোকজন লেগে যায়। তার বাসায় বিভিন্ন সংস্থার লোকও যায়। এখন কোরবানি দিয়ে তো মানুষ বিপদে পড়তে চাইবে না, মিডিয়াতে হাইলাইট হতে চাইবে না।”
তিনি বলেন, “যে লোক গত বছর আমাদের কাছ থেকে তিনটা গরু কিনেছে ৩২ লাখ টাকা দিয়ে, এ বছর সে বলছে ‘আমাকে আপনারা তিনটা গরু দেবেন, ছোট গরু দেবেন, তিন গরু আমাকে তিন চারে ১২ লাখ টাকার ভেতরে দেবেন।”
গো-খাদ্যের দাম কমানোর পাশাপাশি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোরও দাবি জানান এই উদ্যোক্তা।
২০২৪ সালে সাদিক অ্যাগ্রো ফার্ম কোরবানির পশুর দাম নিয়ে আলোচনায় আসে। সেখান থেকে ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনেন এনবিআরের এক কর্মকর্তার ছেলে। সাদিক অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী ইমরান হোসেন সেটি নিয়ে ভিডিও প্রকাশ করার পর সে ঘটনা রাতারাতি ভাইরাল হয়। জল গড়ায় অনেকদূর পর্যন্ত।
যে কারণে অনলাইনে ঝুঁকছেন ক্রেতারা
অনলাইনে এ বছর কোরবানির জন্য গরু কিনেছেন গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন।
সরাসরি হাট থেকে না কিনে অনলাইন থেকে পশু কেনার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আসলে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তা এখন অনলাইনে এই ব্যবসায় যুক্ত। অনেক প্রতিষ্ঠান ‘লাইভ ওয়েট’ বা ওজন হিসেবে পশু বিক্রি করছে, যা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে।
“এছাড়া অনেক প্ল্যাটফর্মে পশুর লাইভ ভিডিও, ডিজিটাল স্কেলে ওজন, বয়স (দাঁতের সংখ্যা), জাত এবং রেজিস্ট্রার্ড প্রাণী চিকিৎসকের স্বাস্থ্যসনদ সংযুক্ত থাকছে। অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে এস্ক্রো সার্ভিস ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার সুবিধা দিচ্ছে। হাসিলের কোনো বিষয় নেই। সব মিলিয়ে অনলাইনটাকেই প্রাধান্য দিচ্ছি কয়েকবছর ধরে।”

এবার পশুর সংকট ‘নেই’
দেশে এবার কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এই সংখ্যা এ বছরের সম্ভাব্য চাহিদার ২২ লাখ বেশি।
এ বছর এক কোটি এক লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে। ফলে কোরবানির পশুর সংকট হবে না বলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য।
রোববার সকালে রাজধানীর দিয়াবাড়ি পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, “এ বছর দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। দেশের কৃষক ও খামারিরা যে পরিমাণ গরু, ছাগল ও মহিষ উৎপাদন করেছেন, তা দেশের কোরবানির চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।”