Published : 08 Jun 2026, 05:43 PM
আগামী অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মিলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, “এই অর্থবছরে আমরা জিডিপির ২ শতাংশ পাচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর থেকে। তিনি আশ্বস্ত করেছেন (ভবিষ্যতে) এই বাজেট (জিডিপির) ৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নত করা হবে। এবার আমরা পাচ্ছি টেকনিক্যাল মাদ্রাসায় (কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে) ১৮ হাজার কোটি টাকা।
“যেহেতু বাজেট ঘোষণা হয়নি, এটা আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আমরা এই জিডিপির ২ শতাংশ, আমরা আশা করছি ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা আমাদের পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরো বাজেটে সেটা উন্নত হবে এবং প্রমাণ আমরা পাব সেই অর্থায়ন থেকে।”
সোমবার বিকালে সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় আসা বিএনপির নতুন সরকার আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট দেবে ১১ জুন।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি দেশের শিক্ষাখাত জিডিপির ৬ শতাংশ বা বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ পেলে তা আদর্শ ধরা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষাখাত জাতীয় বাজেটে এ পরিমাণে বরাদ্দ পায় না।
বিদায়ী অর্থবছরে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১.৭৭ শতাংশ। আর কেবল শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিমাণ জিডিপির ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
তার আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিক্ষাখাতে জিডিপির ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপির ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
আগামী অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে ‘মোট দেশজ উৎপাদন-জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে’ দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, “এবার শুভঙ্করের ফাঁকি নেই। গতবার শুভঙ্করের ফাঁকি ছিল; আইসিটি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সব অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল।”