১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সাগর-রুনি হত্যা: প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ১৬ মে

এ নিয়ে ১০৭ বারের মত এই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল।

সাগর-রুনি হত্যা: প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ ১৬ মে

ফাইল ছবি

আদালত প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Apr 2024, 03:33 PM

Updated : 02 Apr 2024, 05:03 PM

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে তদন্ত সংস্থা র‍্যাবকে নতুন করে আরও দেড় মাস সময় দিয়েছে আদালত।

র‍্যাবের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‍্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শফিকুল আলম প্রতিবেদন দাখিল না করায় আগামী ১৬ মে নতুন তারিখ রাখেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. মাহবুবুল হক মো. মাহবুবুল হক।

গত অগাস্টে আলোচিত এ মামলার প্রতিবেদন জমার জন্য শততমবার সময় পায় র‍্যাব। এরপর কয়েকটি তারিখেও প্রতিবেদন জমা পড়েনি। এ নিয়ে ১০৭ বারের মত এই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং তার স্ত্রী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।

সেই রাতে সেই ফ্ল্যাটে তাদের দুজনের সঙ্গে ছিল তাদের একমাত্র সন্তান পাঁচ বছর বয়সী মাহির সরওয়ার মেঘ। তাকে উদ্ধৃত করে পুলিশ তখন জানিয়েছিল, খুনি ছিল দুজন।

আলোড়ন সৃষ্টি করা ওই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর বছরের পর বছর গড়ালেও হত্যা রহস্যের কিনারা হয়নি।

পুরানো খবর:

সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে ‘সময় চাওয়ার’ ব্যাখ্যায় যা বললেন আইনমন্ত্রী

পুরানো খবর:

সাগর-রুনি হত্যা: ১০১ বার পেছাল প্রতিবেদন জমার সময়

হত্যাকাণ্ডের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের রোমান। বিভিন্ন সময়ে মোট আটজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুজন জামিনও পান।

তারা হলেন- রুনির বন্ধু তানভীর রহমান, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্তে নামে। চারদিন পর তদন্তের ভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে।

তারা রহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাই কোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দায়িত্ব পেয়ে ডিএনএসহ অন্যান্য বায়োমেট্রিক পরীক্ষার জন্য ঘটনাস্থল থেকে বটি, পরিধেয় কাপড়সহ বেশ কিছু বস্তু পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবেও পাঠায় র‌্যাব। কিন্তু এতদিনেও তার ফল প্রকাশ করা হয়নি।