২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারি কর্মচারীদের জিপিএফ ও সিপিএফের মুনাফা বাড়ল

জিপিএফের প্রারম্ভিক স্থিতির ওপর মুনাফার হার আগের মত থাকলেও জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১ শতাংশীয় পয়েন্ট হারে বাড়ানো হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 21 Sep 2026, 10:30 PM

Updated : 21 Sep 2026, 10:30 PM

সরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মুনাফার হার কিছু ক্ষেত্রে বাড়িয়ে নির্ধারণ করেছে সরকার।

এ ক্ষেত্রে জিপিএফের প্রারম্ভিক স্থিতির ওপর মুনাফার হার আগের মতই রয়েছে আর জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১ শতাংশীয় পয়েন্ট হারে বাড়ানো হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর দুইদিন আগে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন দ্বিগুন বা তারও বেশি বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

জিপিএফ ও সিপিএফ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা থেকে তদূর্ধ্ব স্থিতির ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হবে।

এসব হার বিদায়ী অর্থবছরের মতই অপরিবর্তিত রয়েছে। আর ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ওপরও সংশ্লিষ্ট স্তর অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদায় ১৩ শতাংশ, ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা থেকে তদূর্ধ্ব জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা প্রযোজ্য হবে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ১৫ লাখ টাকার বেশি জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জিপিএফ ও সিপিএফের জন্য নির্ধারিত এসব হার ১৯৭৯ সালের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২(১) বিধি এবং ১৯৭৯ সালের প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল বিধিমালার ১২ বিধির আওতায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিপিএফভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা একরকম নয়। স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব আর্থিক বিধিবিধানের আলোকে ছকে নির্ধারিত স্তরভিত্তিক হারকে সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে বিবেচনা করে কর্মচারীদের জন্য মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।