ইসিকে সহযোগিতা করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ

বাংলাদেশে বরাবরই ভোটকেন্দ্র হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার করা হয়। এবার ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রে ভোটের আয়োজন হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 5 Dec 2023, 03:17 PM
Updated : 5 Dec 2023, 03:17 PM

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও সম্পাদনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে সোমবার এই আদেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

আদেশে বলা হয়, নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও সম্পাদনের জন্য সকল মন্ত্রণালয় বা বিভাগ তথা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত অফিস বা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য থেকে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেসরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রিজাইডিং অফিসার বা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার নিয়োগ করার প্রয়োজন হবে। 

“সরকারি, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষককে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ ছাড়াও নির্বাচনে বিভিন্ন দায়িত্ব প্রদান করা হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে এবং প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা প্রয়োজন হবে।” 

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমার পর যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে সোমবার। আগামী ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার সুযোগ আছে। ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হবে ভোটের প্রচার, যা চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। সব শেষে আগামী ৭ জানুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ। 

বাংলাদেশে বরাবরই ভোটকেন্দ্র হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার করা হয়। এবার ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রে ভোটের আয়োজন হবে। ভোট সামনে রেখে এবার সব স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষাও আগেভাগে শেষ করতে বলা হয়েছিল। 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অফিস বা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলোকে তাদের যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী নির্বাচনের কাজে জড়িত আছেন, নির্বাচনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে ছুটি দেওয়া বা অন্যত্র বদলি করা অথবা নির্বাচনী দায়িত্ব ব্যাহত হতে পারে এমন কোনো দায়িত্ব প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে। 

গত ২২ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ দেশের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আদেশ জারি করে।