Published : 28 Aug 2025, 03:19 PM
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় জামিন পেয়েছেন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী। আর পত্রিকাটির সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম ও বাংলা ইনসাইডারের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীর পলাতক থাকায় তাদের আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূরে আলম।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া বলেন, “আজকে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়েছেন। অপর দুই ব্যক্তি পলাতক থাকায় তাদের হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেন আদালত।”
এর আগে গত ২৭ জুলাই তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নঈম নিজামসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। আদালত এ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সিআইডি নির্দেশ দিয়েছিল।
মামলায় আরও যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন- ফেইসবুক পেইজ ভাইরাল প্রতিদিনের অ্যাডমিন, বর্ণনাকারী, ভিডিও প্রস্ততকারী ও টেকনিশিয়ান। গত বছরের ২০ নভেম্বর তিনজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন সিআইডির এসআই তরিকুল ইসলাম।
মামলায় ২৭ পৃষ্ঠার আরজিতে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত করা হয়। তা অনলাইনেও দেওয়া হয়।
সেখানে বলা হয়, “নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। একুশে অগাস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে ব্যারিস্টার এম সারোয়ারের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
“তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।”
মামলায় সারোয়ার বলেছেন, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন। নুসরাতের মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন।
২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ইনসাইডার পত্রিকায় ‘কে এই সারোয়ার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়।