০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যে ধারায় এ মামলা করা হয়েছিল, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সেই ধারাগুলো অন্তর্বতীকালীন সরকার বাতিল করেছে।
“উক্ত ধারাগুলোর অধীন কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।”
গত ২৭ জুলাই তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলায় এদিন সাক্ষ্য নেওয়ার দিন নির্ধারণ করা ছিল। তবে কোনো সাক্ষী আসেননি।
এখন যারা ভিন্নমত পোষণ করেন বা ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরেন, তাদের ওপর হামলা চালায় ‘মব’। রাষ্ট্র এখন আর নিজ হাতে দমন করে না বরং ‘সামাজিক শাস্তি’র পরিবেশ তৈরি করে দেয়।
“আমাদের তরফ থেকে বারবার বলা হয়েছে, কোনো ধরনের কোনো সিক্রেট এজেন্সি, কোনো ইন্টিলিজেন্স এজেন্সি যেন কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিককে একটা যেন ফোন না করে,” বলেন তিনি।
ট্রোলিংয়ের ঝড় কি থামছে না? নারীর কণ্ঠ, সংখ্যালঘুর ভাষা, তরুণের প্রতিবাদ—সবই কি আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু?
বাংলাদেশে প্রতি ১০ জন নারী অনলাইন ব্যবহারকারীর মধ্যে ৭ জন সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন। অধিকাংশই অভিযোগ করতে ভয় পান, কারণ পরিবার নিরুৎসাহিত করে বা তারা নিজেরাই বিশ্বাস করেন অভিযোগ করে কিছুই হবে না।