যাত্রাবাড়ীতে রাব্বী হত্যা: আসামি পাপ্পুর ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’
রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার ১২ নং সেক্টর থেকে শনিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় স্বপ্ন সুপার শপের সামনে নাঈম ওরফে রাব্বী নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা মামলায় এক আসামি আদালতে ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দিয়েছেন।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম মঙ্গলবার আজম খান পাপ্পু নামে ওই আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর তথ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন।
গত শনিবার রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১২ নং সেক্টর থেকে এসআরবি-১০ ও এসআরবি-১ সহায়তায় পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।
রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার পাপ্পুকে আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মোহাম্মদ আমীর হোসেন। তার দাবি, আসামি ‘স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন।
রাব্বী হত্যার ঘটনায় তার বোন আছমা বেগম গত ১৩ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় এই মামলা করেন। এতে মো. রাজু, আজম খান পাপ্পু ও ফারুক এর নাম উল্লেখ করে আরও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে আছমা বেগম বলেছেন, তার ভাই রাব্বী স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে যাত্রাবাড়ীর শনিরআখড়া এলাকার গোবিন্দপুরে থাকতেন। বাবার সঙ্গে যাত্রাবাড়ীর মাছের আড়তে ব্যবসার কাজ করতেন। রাব্বীর সঙ্গে আসামিদের বিরোধ চলছিল।
গত ১১ সেপ্টেম্বর ভোরে রাব্বী আড়তে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। ভোর ৫টার দিকে কাজলার ছনটেক বাঁশপট্টি ১ নম্বর গলিতে পৌঁছালে রাজু, পাপ্পু ও ফারুকসহ অজ্ঞাতরা তাকে মারধর করে। রাজু এক পর্যায়ে পাপ্পুর বুকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় রাব্বির চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রাব্বীর মৃত্যু হয়।
