২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
“আমার ভাইয়ের সাথে কিন্তু মাহফুজের ঝামেলা ছিল না; ঝামেলা ছিল তানভীর ও মাহফুজের মধ্যে। মাঝখান দিয়ে প্রাণ হারালো আমার ভাই।”
“তাকে কে বা কারা হত্যা করেছে জানা যায়নি।”
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও ঘটনাস্থলের আলামত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে ওই শ্রমিককে শনাক্ত করা হয়।
ষাটোর্ধ্ব ওই নারী ওই বাসায় একাই ভাড়া থাকতেন। তার এক ছেলে মালয়েশিয়ায় থাকেন এবং দুই মেয়ে আলাদা থাকেন।
“তার সন্তানরা মা-বাবা ছাড়া থাকে, মন তো খারাপ থাকবেই। যতই ভালোবাসি মা-বাবার সেই ভালোবাসা কি আমরা দিতে পারব?”
“১০-১৫ জন তানজিদকে ঘিরে ধরে। এরমধ্যে একজন বাম পায়ে এক রাউন্ড গুলি করে চলে যায়,” বলেন বন্ধু পরিচয় দেওয়া মামুন।
“দোকান ভাড়া, স্টাফ খরচ তো আছে; সেই খরচ উঠাব তো বিক্রি করে।”
হামলাকারী নিজেও আহত হয়েছেন, পুলিশ পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে।