২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

‘প্রতারকের খপ্পরে’ পড়তে পারেন সংসদ সদস্য আনার: পুলিশ কমিশনার

নিয়মিত ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, বলেন তিনি।

‘প্রতারকের খপ্পরে’ পড়তে পারেন সংসদ সদস্য আনার: পুলিশ কমিশনার
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 May 2024, 11:36 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:36 AM

বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার ভারতে গিয়ে প্রতারকের খপ্পরে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমানের।

সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে পুলিশ কমিশনার বলেন, তার নিখোঁজ থাকার বিষয়টি পুলিশ অবহিত হওয়ার পর থেকে নিয়মিত ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তবে এখনও তার সন্ধানের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “সন্মানিত ল’মেকার হিসেবে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি তার অবস্থান জানার।”

সংসদ সদস্য আনার গত ১১ মে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান জানিয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুর রউফ বলেছিলেন, “১৬ মে থেকে তার সঙ্গে বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যাচ্ছে না।”

এরপর সংসদ সদস্যের পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকজনকে খোঁজ জানার জন্য ভারতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

রোববার সংসদ সদস্য আনারের কন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডোরিন রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানিয়েছেন।

ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “তিন দিন ধরে আমার বাবাকে ফোনে পাচ্ছি না। কখনও তার ফোন খোলা থাকে, বেশির ভাগ সময়ই বন্ধ পাচ্ছি।“

এক প্রশ্নের জবাবে ডোরিন বলেন, “তিনি রেগুলারই ভারতে যান। তার কানে মেজর সমস্যা আছে। তার একটা কান পুরোপুরি বন্ধ, এই কারণে যেতে হয়।”

সোমবার পুলিশ কমিশনার হাবিবুর বলেন, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কূটনৈতিক পর্যায় ছাড়াও ভারতের পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তারা (ভারতের পুলিশ) সব ধরনের সহযোগিতা করছে।

“এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে তিনি সেখানে (ভারত) প্রতারকের খপ্পড়ে পড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।”

সংসদ সদস্যের মেয়ে ডোরিন সাংবাদিকদের বলেন, তার বাবার কানের সমস্যার কারণে চিকিৎসার জন্য নিয়মিত ভারতে যেতে হয়। সেখানে তার এক বন্ধুর বাসায় ওঠেন। সেখান থেকে বের হওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। ওই বন্ধু স্থানীয় থানায় এ ব্যাপারে জিডি করেছেন।

এদিকে পিএ আব্দুর রউফের মোবাইল ফোনে সংসদ সদস্যের মোবাইল ফোন থেকে গত ১৬ মে একটি ফোন এলেও তিনি ধরতে পারেননি। পরে ফিরতি কল করলে তা কেউ ধরেনি। পরে একটি এসএমএস আসে।

এসএমএস কী লেখা রয়েছ তা না বললেও পুলিশ কমিশনার হাবিবুর বলেন, মেসেজটি দেখে মনে হয়েছে এটি ভুয়া। সংসদ সদস্যের দেওয়া ‘মেসেজ’ নয়।

আরও পড়ুন

ভারতে গিয়ে 'যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন' এমপি আনার, পুলিশকে জানাল পরিবার