Published : 24 May 2026, 06:21 PM
কোরবানির ঈদের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলার রায় দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম।
একইসঙ্গে গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের ১৫০টি মামলার তদন্ত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুরু হওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
রোববার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আমিনুল ইসলাম এ কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এবং রামপুরার একটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।
এর মধ্যে একটি মামলা ট্রাইব্যুনাল-১ এ এবং আরেকটি ট্রাইব্যুনাল-২ এ অপেক্ষমাণ।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে একটি মামলাসহ কয়েকটি মামলার রায় ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।
প্রথম রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রামপুরায় ২৮ হত্যাসহ আরও কয়েকটি মামলার বিচারকাজ চলছে।
ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরে প্রধান কৌঁসুলি বলেন, “আমাদের ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে ২২টি মামলার বিচার চলমান রয়েছে। রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ আছে দুটি মামলা। আশা করি ঈদের পরই এসব মামলার রায় হয়ে যাবে।”
৩১টি মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা গুম-খুন এবং ক্রসফায়ারের ১৫০টি মামলার তদন্ত হাতে নিয়েছি। এরই মধ্যে এসব কাজ শুরু হয়েছে।”
জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যার তদন্ত প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নরসিংদী, যাত্রাবাড়ী, মোহাম্মদপুর, রাজশাহীসহ দেশের যেসব স্থানে সবচেয়ে বেশি হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে, সেসব মামলার তদন্তে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি।”
তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে আমরা তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের প্রসিকিউশন টিমকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশেষ তদন্তের ব্যবস্থা করেছি। আশা করি খুব দ্রুতই এসব প্রতিবেদন দিয়ে আমরা বিচারের পর্যায়ে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।”