২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
জুলাই আন্দোলনের সময় ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যায় প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানির’ অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন সময়ে দেশে ‘গণহত্যা, গুম ও খুনের’ ঘটনায় ‘ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ভার’ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রেপ্তারের আবেদন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’ ও ‘রাষ্ট্র সংস্কার ফোরাম’ নামের দুটি সংগঠন।
একই সঙ্গে তাকে সেনা হেফাজতে রাখার আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
দেশে ফেরার কথা আবারও জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। জাপানের বার্তা সংস্থা কিয়োডো নিউজকে দেওয়া এক লিখিত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তিনি বাংলাদেশে ফিরে আদালতে হাজির হবেন।
তিনি বলেছেন, “দেশের প্রয়োজন ক্ষত নিরাময়। তবে পুনর্মিলনের অর্থ দায়মুক্তি হতে পারে না। অপরাধের জন্য দায়ীদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।”
মামলার ২৬ আসামির মধ্যে আটজন গ্রেপ্তার রয়েছেন, বাকিরা পলাতক।
বর্তমানে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকা মোজাফফর হোসেনকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বলা হয়েছে।
“যারা আসামি, যারা পলাতক আছে, তাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য যেসব চিঠি দেওয়ার প্রয়োজন, আমরা চিঠি দিচ্ছি।”