Published : 30 Sep 2025, 10:07 AM
পহেলা বৈশাখে 'আনন্দ শোভাযাত্রা'র মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে ‘একত্র করার কথা’ বিশ্ব সাংস্কৃতিক নীতি ফোরামে তুলে ধরেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি বলেছেন, "সম্প্রতি আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা; যেখানে সব জাতিগোষ্ঠীকে একত্রে নববর্ষ উদযাপনে যুক্ত করা হয়েছে, যা গত ৫৪ বছরে হয়নি।"
ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে বাংলাদেশ সরকার ‘নিরপেক্ষ সাংস্কৃতিক নীতি’ অনুসরণ করছে বলেও সেখানে জানিয়েছেন ফারুকী।
তিনি বলেন, "এ বছর দুর্গাপূজা, ঈদ ও বুদ্ধ পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে নেওয়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ তার প্রমাণ।"
সোমবার স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সাঞ্চেজ বার্সেলোনায় তিন দিনব্যাপী বিশ্ব সাংস্কৃতিক নীতি ফোরামের উদ্বোধন করেন।
বিশ্বের সাংস্কৃতিক নীতি নির্ধারকদের সবচেয়ে বড় এ সমাবেশ বুধবার শেষ হবে।

এই আয়োজনে বিশ্বের শতাধিক সংস্কৃতি মন্ত্রী ও নীতি নির্ধারকেরা অংশ নিয়েছেন করছেন; বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী।
ফারুকী বলেন, "বাংলাদেশের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ভিন্নতাগুলোকে শক্তিতে রূপান্তরিত করেছে।
"দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত সাংস্কৃতিক বিভাজন সমাজকে ক্ষতবিক্ষত করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসব চিহ্নিত বিভাজন নিরসনে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।"
সংস্কৃতির উদ্ভাবনী অর্থায়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের গুরুত্বও তুলে ধরেন ফারুকী।
তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছেন ডিজিটাল মাধ্যম ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে সাংস্কৃতিক কনটেন্ট প্রচারের জন্য।