Published : 02 Nov 2022, 12:09 PM
অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে পাঁচ বছরের দণ্ড পাওয়া কারা অধিদপ্তরের সাময়িক বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক বজলুর রশীদ খালাস চেয়ে হাই কোর্টে আপিল করেছেন।
আবেদনটি শুনানির জন্য বিচারপতি মো.আশরাফুল কামালের হাই কোর্টের একক বেঞ্চের বুধবারের কার্যতালিকায় রয়েছে।
আদালতে বজলুর রশীদের পক্ষে রয়েছেন আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান; অপরদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে রয়েছেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।
তিন কোটি ১৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগে গত ২৩ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।
সেইসঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া রাষ্ট্রের অনুকূলে তিন কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকা বাজেয়াপ্তও করা হয়।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠলে ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর বজলুর রশীদকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
২০২০ সালের ২৬ অগাস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দীন বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই বছরের ২২ অক্টোবর মামলায় বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঢাকার সিদ্বেশ্বরী রোডে রূপায়ন হাউজিংয়ের স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের দুই হাজার ৯৮১ বর্গফুট আয়তনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন বজলুর রশীদ। এর দাম হিসেবে পরিশোধ করা ৩ কোটি ৮ লাখ টাকার কোনো বৈধ উৎস তিনি প্রদর্শন করতে পারেননি।
“এমনকি অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়সংক্রান্ত কোনো তথ্যও তার আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেননি। ফলে তার এই পরিশোধিত ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা জ্ঞাতআয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।”
১৯৯৩ সালে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়া বজলুর রশীদ ঢাকায় সর্বশেষ কারা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার আগে ডিআইজি হিসেবে ছিলেন রাজশাহীতে।
আরও খবর