Published : 24 Aug 2025, 09:49 PM
বুড়িগঙ্গা থেকে উদ্ধার হওয়া চার লাশের পরিচয় দুই দিনেও শনাক্ত হয়নি।
তবে এসব ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দুটি হত্যা মামলা হওয়ার তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
শনিবার ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এর মধ্যে মীরের বাগ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী এক নারী ও চার-পাঁচ বছর বয়সী এক ছেলে শিশুর লাশ। দুজনেরই গলায় কাপড় প্যাঁচানো ছিল বলে জানায় সদরঘাট ফাঁড়ির নৌপুলিশ।
আর কালিন্দী ইউনিয়নের মাদারিপুর ঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় এক নারী ও এক পুরুষের লাশ উদ্ধার করেন বরিশুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।
চারজনই হত্যার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মাদারিপুর ঘাট থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করে পুলিশ। আর নারী ও শিশুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করে নৌ পুলিশ।
দুটি মামলাতেই অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। দুটো মামলাই তদন্ত করবেন নৌ পুলিশের সদস্যরা।
নৌ পুলিশের ঢাকা রিজিওনের এসপি আব্দুল্লাহ্ আল মামুন রোববার সন্ধ্যায় বলেন, “নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
“আশপাশের কারও স্বজন নিখোঁজ আছে, এমন কেউ আমাদের কাছে আসেনি। আমরা নিখোঁজের জিডিগুলোর বিষয়ে খোঁজ করছি।”
নৌ পুলিশ বলছে, নারী ও শিশুর যে লাশ উদ্ধার হয়েছে, তাদের গলায় ফাঁস দেওয়া ছিল। আর নারী ও পুরুষের হাতে বাঁধা ছিল ৫০ কেজির চালের বস্তা।
নৌ পুলিশের এসপি বলছেন, “রশির দুই প্রান্তে দুজনের হাত বাঁধা ছিল। আর রশিটার সঙ্গে বাঁধা ছিল একটি চালের বস্তা। পুরুষটির বাঁধা ছিল ডান হাত; নারীর বাঁধা ছিল বাঁ হাত।”
আরও পড়ুন