Published : 12 Feb 2026, 11:45 AM
সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে দেখা যায় মোহাম্মদপুরের শারীরিক শিক্ষা কলেজে।
ঢাকা ১৩ আসনের প্রার্থী মামুনুল হকও ভোট দিয়েছেন এই কেন্দ্রটিতে। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজও কেন্দ্রটিতে এসেছিলেন।
শারীরিক শিক্ষা কলেজে রয়েছে ১০১ নম্বর কেন্দ্র (নারী) এবং ১০২ নম্বর কেন্দ্র (পুরুষ)। দুটি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৯৯৩ জন।
দুটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকাল ১০টা পর্যন্ত প্রথম দুই ঘণ্টায় ১০১ নম্বর নারী কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ হয়েছে ১৫৮টি; এই কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ২৫৩জন।
এর পাশেই ১০২ নম্বর পুরুষ কেন্দ্রটিতে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়েছে ২৭৮টি; এই কেন্দ্রটির মোট ভোটার ২ হাজার ৬৪০জন।
১০১ নম্বর (নারী) কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার বাদল মিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ হয়েছে ৬.৭১ শতাংশ।
অন্যদিকে ১০২ নম্বর (পুরুষ) কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই কেন্দ্রটিতে প্রথম দুই ঘণ্টায় ১০.৫ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে।
এই দুটি কেন্দ্রেই কোনো রকম 'অপ্রীতিকর' ঘটনা ঘটেনি বলেও এই প্রিজাইডিং অফিসার জানিয়েছেন।
এছাড়া মোহাম্মদপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ৪ শতাংশ ভোটগ্রহণের তথ্য জানতে পেরেছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। এই কেন্দ্রটিতে ৩ হাজার ৪৮৪জন ভোটার আছেন।
সকাল ৮টায় মোহাম্মদপুরের শারীরিক শিক্ষা কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন ঢাকা ১৩ আসনের প্রার্থী মামুনুল হক।
অন্যদিকে সকাল সোয়া ৯টায় মোহাম্মদপুরের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন ববি হাজ্জাজ।

ববি হাজ্জাজ বলেন, "স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাররা যদি ভোট দিতে পারে, তাহলে অবভিয়াসলি শুধু যেকোনো একটা প্রতিপক্ষ বা আমরা না সবাই মেনে নিতে বাধ্য। এটাই তো গণতন্ত্র।"
ভোট দেওয়ার পর মামুনুল হক বলেন, তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলে ভোটের ফলাফল যা-ই ঘটুক, তিনি তা মেনে নেবেন।
মামুনুল হক বলেন, "কৃত্রিম কোনো সংকট যদি না তৈরি করা হয়, স্বাভাবিক ভোটগ্রহণ যদি হয়। জনগণ যদি স্বতস্ফুর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তাহলে ভোটের ফলাফল মেনে নেব এবং তা সবারই মেনে নেওয়া উচিত।"
মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কোনো সংকট নেই।’
ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ হলেও জাতীয় নির্বাচনের ভোট এবং গণভোট একসঙ্গে দেওয়ার কারণে কিছুটা সময় লাগছে বলে জানান কাদেরাবাদ হাউজিং এর বাসিন্দা আব্দুল মজিদ। তিনি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কর্মরত।
ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়ে মজিদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছি, এটাই ভালো লাগছে। তবে সময় একটু বেশি লাগছে।"
কত সময় লাগলো, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আনুমানিক ১৫ মিনিটের মত লাগছে।’
আব্দুল হামিদ নামে আরেকজন ভোটার অবশ্য বলেছেন, তার লেগেছে ৫ মিনিট।
বসিলায় বসবাস করলেও আব্দুল হামিদ মোহাম্মদপুর এলাকার ভোটার। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। আব্দুল হামিদ বলেন, "দুইটা ভোট একসঙ্গে দেওয়ার কারণে একটু সময় লেগেছে। তবে ভোট দিতে কোনো সমস্যা নাই।"