Published : 03 Dec 2025, 05:12 PM
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নিশ্চিত করতে কাজ করার কথা বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
তিনি বলেছেন, "আমরা অনেক সময় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কথা বলে থাকি, তবে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিতে আমাদের কাজ করতে হবে।"
তিনি আমদানি ও রপ্তানিতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ডব্লিউটিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ‘অত্যন্ত জরুরি’ বলেও মন্তব্য করেন।
বুধবার সকালে হোটেল ওয়েস্টিনে ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন আয়োজিত 'ফ্লেমিং ফান্ড লিগাসি ইন বাংলাদেশ: ট্যাকলিং এএমআর থ্রো ওয়ান হেলথ অ্যাপ্রোচ' শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষ করে এসডিজি-২ বা ক্ষুধা দূরীকরণ নিশ্চিত করতে আমাদের দায়িত্ব শুধু খাদ্য উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নয়।
“খাদ্য উৎপাদন ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিক এবং পেস্টিসাইড ব্যবহারের সঠিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি।”
তার ভাষ্যে, “প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সস্তা পোলট্রি উৎপাদনের জন্য অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর।”
যুক্তরাজ্য সরকারের ফ্লেমিং ফান্ড ২০২০ সাল থেকে ওয়ান হেলথ পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের এএমআর নজরদারি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়ে আসছে তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের ফলে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষক, ভেটেরিনারিয়ান এবং মাঠ কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও দায়িত্বশীল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারে সহায়তা করছে।”
তিনি ওয়ান হেলথ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে মানবস্বাস্থ্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষি—সব ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকার ব্রিটিশ হাই কমিশনের উপ-উন্নয়ন পরিচালক মার্টিন ডসন উপস্থিত ছিলেন।