Published : 17 Jul 2025, 02:32 PM
ঢাকার শ্যামলীতে চাপাতির ভয় দেখিয়ে এক যুবকের মোবাইল, মানিব্যাগের সঙ্গে জামা-জুতা খুলে নেওয়ার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার রাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা এবং ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিবি তেজগাঁও বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খাঁন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- আসলাম, আলামিন ও কবির। তাদের মধ্যে আসলাম ও আলামিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। আর কবির এই ছিনতাইকারী গ্রুপের ‘অন্যতম নেতা’ বলে জানিয়েছে ডিবি। তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি কর্মকর্তা রাকিব খাঁন বলেন, “গ্রেপ্তার তিনজনই জহির গ্রুপের সদস্য। জহির ছিনতাইয়ের জন্য মোটরসাইকেল ও চাপাতি ভাড়া দেয়।
“গ্রেপ্তার আসলাম ও আলামিনের লিডার কবির। তারা যা ছিনতাই করতো সেসব মালামাল এনে কবির ও জহিরের কাছে জমা দিত।”
সরাসরি ছিনতাইয়ে জড়িত আরেক সদস্যসহ চক্রের বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
গত শুক্রবার ভোরে শ্যামলী ২ নম্বর সড়কে শিমিয়ন ত্রিপুরা নামে এক যুবক ছিনতাইয়ের শিকার হন।
এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার মুখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করার তথ্য দিল পুলিশ।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভোর ৬টার দিকে শ্যামলী ২ নম্বর সড়কের কাজী অফিসের দিক থেকে ছাতা হাতে এক যুবক হেঁটে যাচ্ছিলেন। এসময় তার পেছন দিক থেকে একটি বাইকে আসা তিনজন ওই যুবকের কাছে এসে থামতে দেখা যায়।
এরপর বাইকে থাকা দুইজন নেমে ওই যুবকের মোবাইল মানিব্যাগ ও ব্যাগ কেড়ে নেয়। দুইজনেরই হাতে থাকা চাপাতি দিয়ে বার বার ভয় দেখানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা যুবকের জামা-জুতাও খুলে নিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই বাইকে করে চলে যায়।
অভিযুক্ত তিন ছিনতাইকারীর মধ্যে দুজনকে হেলমেট পরা অবস্থায় এবং একজনকে খালি গায়ে দেখা গেছে ভিডিওতে।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী শিমিয়ন ত্রিপুরা ধামরাইয়ে এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, থাকেন শ্যামলীতে।
ঘটনার দিন সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য শ্যামলীর বাসা থেকে বেরিয়ে ছিনতাইয়ের শিকার হন তিনি।