Published : 20 May 2026, 09:02 PM
নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও কোরবানির পশুর হাট বসলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি বলেছেন, “বৈধভাবে ইজারা দেওয়া হাট বা নির্ধারিত হাট ছাড়া অন্য কোথাও পশুর হাট বসানোর সুযোগ নেই। কেউ অতিরিক্ত সুবিধার জন্য অবৈধভাবে কেনাবেচা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে।”
বুধবার ডিএনসিসির নগরভবনে কোরবানির হাট ব্যবস্থাপনায় ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভায় তিনি একথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, “কোরবানির পশুর হাট নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ দিনের জন্য বসবে। এর আগে কোনো ধরনের বেচাকেনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।”
কোরবানির হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন। পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদার ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন।
“এর বাইরে গরু বিক্রেতার কাছ থেকে আর কোনো টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। পাশাপাশি হাটের প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে সরিয়ে ফেলতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়।”
হাটে আসা নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতের কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
“নারীদের জন্য হাটে ‘পিংক টয়লেট’ বসাতে ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে, সে ব্যবস্থা করতেও ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে,” যোগ করেন তিনি।