Published : 07 Mar 2026, 06:59 PM
ঢাকার শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আপেল মাহমুদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটট ছিদ্দিক আজাদ এ আদেশ দেন।প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা আপেল মাহমুদকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে বিচারক এ আদেশ দেন।
আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন না থাকার কথা বলেন তিনি।
শুনানি শেষে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নেতা আপেল সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, শুধু আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ার কারণে ‘বিনা অপরাধে’ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
“জুলুম নির্যাতন করে আওয়ামী লীগকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। দেশের মানুষ ভালো নেই, ১৮ কোটি মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যার ডাকের অপেক্ষায় আছে।"
এর আগে শুক্রবার সকালে আপেল মাহমুদকে গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে শাহবাগ থানাধীন গোলাপশাহ মাজার সংলগ্ন মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২০/২৫ জন নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও উস্কানিমূলক স্লোগান’ দিচ্ছিলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালালে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় ধাওয়া করে আপেলকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বাকিরা কৌশলে পালিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পলাতক আসামিদের নির্দেশে ও আর্থিক সহায়তায় তারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।
এ ঘটনায় শনিবার শাহবাগ থানার এসআই মো. তৌফিক হাসান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।