ধর্ষণের আসামি উপ সচিব রতনকে বাধ্যতামূলক অবসর

বিভাগীয় মামলায় ‘গুরুতর অসদাচরণের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার এই ‘গুরুদণ্ড’।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 23 Nov 2022, 09:57 AM
Updated : 23 Nov 2022, 09:57 AM

ধর্ষণ মামলার আসামি সাময়িক বরখাস্ত উপ সচিব এ কে এম রেজাউল করিম রতনকে এবার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২১ নভেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে বলেছে, বিভাগীয় মামলায় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সাবেক এ পরিচালকের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর অসদাচরণের’ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে সরকারি চাকরি থেকে ‘বাধ্যতামূলক অবসর’ দেওয়া হল।

২০১৭ সালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের এক ছাত্রীকে প্রায় এক বছর ধর্ষণ করার অভিযোগে গত বছর জুলাই মাসে ধানমণ্ডি থানায় মামলা হয় রতনের বিরুদ্ধে। ওই মামলা করার আগের মাসে মারধরের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেছিলেন ওই ছাত্রী।

Also Read: ধর্ষণের মামলাকারীকে ফের ‘ধর্ষণচেষ্টায়’ গ্রেপ্তার বরখাস্ত উপসচিব

Also Read: ধর্ষণচেষ্টা: বরখাস্ত উপসচিবের জামিন নাকচ

Also Read: মামলার পর ফের ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, বরখাস্ত উপসচিব কারাগারে

দুই মামলাতেই ধানমণ্ডি থানা পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দিলে ২০১৯ সালের ২৫ জুন রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ওই বছরের ১২ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এরপর সব প্রক্রিয়া শেষে বিভাগীয় মামলায় ‘দোষী প্রমাণিত হওয়ায়’ চাকরি থেকে এই কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাল সরকার।

নারী নির্যাতন দমন আইনে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা রেজাউল করিম রতন ২০১৭ সালে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ থাকাকালে ওই কলেজের সেই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ‘প্রতারণার’ ফাঁদে ফেলে তাকে ধর্ষণ করেন এবং সেই ঘটনার ভিডিও আছে বলে ভয় দেখিয়ে এক বছর ধরে ধর্ষণ করে চলেন।

পরে ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ উপসচিব পদমর্যাদায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে চলে যান রতন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক