Published : 22 Jun 2026, 12:09 AM
দেশি ও বিদেশি শিল্পীদের সুরের মেলবন্ধনে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দুই দিনব্যাপী সংগীত উৎসব।
বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসবের প্রথম দিনে রোববার মুখরিত হয়ে ওঠে জাতীয় নাট্যশালা প্রাঙ্গণ। বিকালে শোভাযাত্রা ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের সূচনা হয়।
উদ্বোধনী আয়োজনে পিয়ানোর সুরে পরিবেশিত হয় ‘আগুনের পরশমনি’, ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই’ ও ‘আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়’র মতো কালজয়ী গান।
জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সংগীতের গভীরতা ও মানবিক আবেদন তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “যে জাতি সংগীতকে যত বেশি গুরুত্ব দেয়, সে জাতি তত বেশি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে। আমাদের দর্শন, শিল্প, সাহিত্য ও ঐতিহ্যের মধ্যে সংগীতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”
মন্ত্রী বলেন, “গান হল ফুলের মতো। যারা ফুলকে ভালোবাসে না, তারা যেকোনো নির্মম অপরাধও করতে পারে। মূলত পৃথিবীর বুকে মানুষের ভাষা সৃষ্টির আগেই গানের জন্ম হয়েছে।”
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দীন স্টালিন।

এবারের উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন।
সংগীত সন্ধ্যায় সুরের জাদু ছড়াতে মঞ্চে আসেন চীন ও জাপানের শিল্পীরা। তাদের ভিন্নধর্মী পরিবেশনা শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।
পাশাপাশি দেশের কণ্ঠশিল্পী আগুন, মেহরীন, ফাহমিদা নবী, আলিফ আলাউদ্দিন, অনিমা রায়, পলাশ নূর ও সাব্বির জামান একক ও যৌথ পরিবেশনা করেন।

ধ্রুপদী ও আধুনিক গানের রেশ শেষ হতে না হতেই মঞ্চে আসে দেশের বেশ কয়েকটি ব্যান্ড দল। প্রথম দিনের উৎসবের সমাপ্তি ঘটে ‘ইথুন বাবু অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’, ‘অনিমেষ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ এবং ‘অংকন কুমার’ এর রক ও ফিউশন ধারার সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের শেষ দিন সোমবার। সেদিনও সংগীতশিল্পীর সংগীত পরিবেশনা থাকবে।