Published : 22 Jun 2026, 10:52 PM
দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করার সিরিজে দারুণ ব্যাটিংয়ের স্বীকৃতি পেয়েছেন মুশফিকুর রহিম। আইসিসির পুরুষ ‘প্লেয়ার অব দা মান্থ নির্বাচিত’ হয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। মে মাসের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে তাইজুল ইসলাম ও দিপেন্দ্রা সিং ঐরিকে পেছনে ফেলেছেন তিনি।
সোমবার পুরুষ ও নারী দুই বিভাগে মে মাসের সেরা খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নারী বিভাগে সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ইংল্যান্ডের পেসার লরেন বেল।
গত মাসে পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার সিরিজে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মুশফিক। দুই ম্যাচে এক সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ৬৩.২৫ গড়ে ২৫৩ রান করেন। এতে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো সিরিজসেরা হন তিনি।
মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৭১ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই ৩৯ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেটে চতুর্দশ সেঞ্চুরি করে খেলেন ১৩৭ রানের ইনিংস। এতে সহজ হয়ে যায় বাংলাদেশের জয়ের পথ। এই সেঞ্চুরিতে মমিনুল হককে ছাড়িয়ে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক বনে যান।
২০২১ সালের পর মে মাসের ফের সেরা খেলোয়াড় হওয়া এই ব্যাটসম্যান দ্বিতীয়বারের মতো মাস সেরার স্বীকৃতি পেলেন। গত মাসে এই নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে চমৎকার পারফরম্যান্সের সুবাদে এপ্রিলের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব জেতেন নাহিদ রানা। ২০২৫ সালের এপ্রিলে জেতেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
মুশফিক ছাড়া বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে দুইবার এই স্বীকৃতি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান (২০২১ সালের জুলাই ও ২০২৩ সালের মার্চ)। বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে এই খেতাব জিতেছেন নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মুস্তারি।
মাস সেরা হয়ে মুশফিকুর রহিম কৃতজ্ঞতা জানান সতীর্থ ও দলের সাপোর্ট স্টাফদের প্রতি। সঙ্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে তাইজুলকেও দেন কৃতিত্ব। এই সিরিজে দুই টেস্টে একবার পাঁচ উইকেটসহ মোট ১৩ উইকেট শিকার করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এই পারফরম্যান্সের সুবাদে তিনিও ছিলেন মাসসেরা হওয়ার দৌড়ে।
“আবার আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়া আমার জন্য গর্বের। টেস্টের পারফরম্যান্সের এই স্বীকৃতি এসেছে, এটা আমাকে আনন্দিত করছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে জয়ে তাইজুলেরও গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা আছে, এটা সবাই লম্বা সময় মনে রাখবে।”
“এই জয় আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে উপরে উঠতে ভূমিকা রেখেছে। এই অর্জন দলের জন্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। সমর্থনের জন্য সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের কাছে কৃতজ্ঞ। সামনের মাসগুলোতে বাংলাদেশের সাফল্যে আরও বেশি অবদান রাখতে মূখিয়ে আছি।”