অভিজাত আবাসিক এলাকার বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধে ‘স্পেশাল টাস্কফোর্সের’ সুপারিশ
ঢাকা শহরের গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডির যেসব আবাসিক এলাকা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করবে এই টাস্কফোর্স
ঢাকা মহানগরের ‘অভিজাত’ আবাসিক এলাকাকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের বিষয়টি চিহ্নিত করতে ‘স্পেশাল টাস্কফোর্স’ গঠনের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
রোববার সংসদ ভবনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবে এ বৈঠক হয়। বিশেষ আমন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামও তাতে অংশ নেন।
সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা শহরের গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমণ্ডির যেসব আবাসিক এলাকা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তা চিহ্নিত করার জন্য স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গঠন করার সুপারিশ করে কমিটি।
বৈঠকে আরও বেশি কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। পর্যটনশিল্প বিকাশে পার্বত্য চট্টগ্রাম, সুন্দরবন এবং সোনারগাঁওকে এক্সক্লুসিভ জোন করা এবং হোটেল সোনারগাঁও ও হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে অবস্থানকারী পর্যটকদের ওপর অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ট্যাক্স কমিয়ে করে থেকে ১ দশমিক ৫ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে সেখানে। ট্যাক্স কমানোর বিষয়টি ১ মে থেকেই কার্যকরের সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিটি সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মোশাররফ হোসেন, আশেক উল্লাহ রফিক, সৈয়দা রুবিনা আক্তার ও কানিজ ফাতেমা আহমেদ বৈঠকে অংশ নেন।
