সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, বৃষ্টির আভাস
সুস্পষ্ট এ লঘুচাপ নিম্নচাপের রূপ নিলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে। সমুদ্রবন্দরে তখন সতর্ক সংকেত দেখাতে বলবে আবহাওয়া অফিস।
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে; শনিবার সেটি নিম্নচাপের রূপ নিতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক শুক্রবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নিম্নচাপের রূপ নিলে এর প্রভাবে রোববার থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে। সমুদ্রবন্দরে তখন দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হবে।”
নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ এবং তারপর ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে। তখন এর নাম হবে ‘সিত্রাং’। এই নাম থাইল্যান্ডের দেওয়া।
আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় বৃহস্পতিবার লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়। ২৪ ঘণ্টা পর তা সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হল। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ওমর ফারুক বলেন, ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে সেটি ২৪/২৫ অক্টোবরের দিকে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। কতটা শক্তিশালী হবে ও এর প্রভাব কতটুকু পড়বে সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া যাবে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেওয়ার পর। তবে তার আগেই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে শুরু করবে।
আর ২৪ অক্টোবর রাতের অমাবস্যা তিথির যোগ পেলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা হবে তুলনামূকভাবে বেশি।
শুক্রবার রাতে আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সাবধানতার সাথে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান ইতোমধ্যে বলেছেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সরকার সতর্ক আছে। সিদ্ধান্ত এলে প্রস্তুতির বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
