৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
হতাহতের সংখ্যার বিচারে ‘ম্যারি অ্যান’ ছিল স্মরণকালের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়গুলোর একটি। সাড়ে তিন দশক পেরিয়ে গেলেও সেই বিভীষিকা উপকূলবাসীকে তাড়া করে ফেরে।
“এ মাসে একটি বা দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা আছে,” বলেন আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা।
দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর জানায়, গেজানির তাণ্ডবে আরও ৮০৪ জন আহত হয়েছেন আর ১৫ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
যে সব এলাকায় ভূমিধস হয়েছে সেখানে মাটিতে চাপা পড়া মৃতদেহ উদ্ধারে শত শত সেনা ও পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।
বন্যা ও ভূমিধসের কারণে গত সপ্তাহে ব্যাহত হওয়া রেল যোগাযোগ ও ফ্লাইট পুনরায় চালু হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
বন্যা ব্যবস্থাপনা, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, চিকিৎসা সহায়তা এবং অন্যান্য মানবিক প্রয়োজনসহ সম্ভাব্য যে কোনো সহায়তা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।”
“আমি কাপড় বাঁচাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমার বাড়িটাই ধসে পড়ে গেল,” বলেন সুমাত্রার এক বাসিন্দা।
ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় প্রবল বৃষ্টি, ভূমিধস ও বন্যায় অন্তত ১৫৩ জন নিহত হয়েছেন, নিখোঁজ রয়েছেন আরো ১৯১ জন।