Published : 09 Apr 2026, 07:24 PM
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনের সকল অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে বলেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনাসহ পহেলা বৈশাখ উদযাপনে আরও কিছু নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।
সেগুলো হল-
>> বিকাল ৫টার পর রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানস্থল এলাকায় নতুন করে কোনো জনসাধারণ প্রবেশ করতে পারবেন না।
>> নিরাপত্তার স্বার্থে দেশব্যাপী ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি ফুটানো, গ্যাস বেলুন ও ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
>> ৩০০ ফিট এলাকায় মোটরসাইকেল বা কার রেসিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
>> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ‘বৈশাখী শোভাযাত্রার’ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
>> বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা মুখোশ পরতে পারবে না।
>> মুখোশ হাতে বহন করা যাবে, প্রদর্শনীর জন্য তৈরি মুখোশ এমনভাবে প্রদর্শন করা যাবে না যাতে মুখ ঢেকে থাকে।
>> অংশগ্রহণকারীদের শুরুতেই মিছিলে যোগ দিতে হবে, মিছিল শুরুর পর মাঝপথে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।
>> পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (টিএসসি) মেট্রোরেল স্টেশন নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
>> ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না।
>> ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দিয়াশলাই বা লাইটার বহন করা যাবে না।
>> শিশুদের সঙ্গে তাদের পরিচয় সম্বলিত নোট রাখতে হবে।
নববর্ষ উদযাপনে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা জোরদারের কথা বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, অনুষ্ঠান ঘিরে রমনা বটমূল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা এবং পর্যাপ্ত আর্চওয়ে থাকবে।
“ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমারি রোধে দেশব্যাপী সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। সকল বড় অনুষ্ঠানস্থলে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম মোতায়েন থাকবে। রমনা লেকে যেকোনো দুর্ঘটনা রোধে ডুবুরি দল নিয়োজিত থাকবে।”