১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

১৬ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার: দুই বিমানকর্মীর ‘স্বীকারোক্তি’

সিআইআইডি বলছে, বিমানকর্মীদের জুতায় স্বর্ণবার লুকিয়ে চোরাচালানের সঙ্গে কারা জড়িত, কোথা থেকে এল এবং কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 10 Oct 2026, 08:43 PM

Updated : 10 Oct 2026, 08:43 PM

ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুই কর্মীর জুতার ভেতর থেকে ১৬ কোটি টাকার ৮০টি স্বর্ণেরবার উদ্ধারের মামলায় দুই বিমানকর্মী আদালতে ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি’ দিয়েছেন।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার মানিক মিয়া এবং মিজানুর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। তারা ‘স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায়’ তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার ইন্সপেক্টর আবুল কাইয়ুম।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর তথ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের পুলিশের এসআই আবু বকর ছিদ্দিক।

ওই দুই কর্মীকে গত রোববার সকালে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। পরদিন তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড দেয় আদালত।

সিআইআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার সিআইআইডির কর্মকর্তারা ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন।

দুবাই থেকে আসা ইমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (ইকে-০৫৮২) রানওয়ের যে স্থানে অবস্থান করছিল, সেখান থেকে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতরে ‘বিশেষ কায়দায়’ লুকানো ৮০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।

প্রতিটি বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম। উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন প্রায় ৯ কেজি ৩৪০ গ্রাম। এসব সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

সিআইআইডি বলছে, বিমানকর্মীদের জুতায় স্বর্ণবার লুকিয়ে চোরাচালানের সঙ্গে কারা জড়িত, কোথা থেকে এল এবং কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় রোববারই বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের অ্যাসিস্ট্যান্ট রেভিনিউ অফিসার অব কাস্টমসের রুহানী ইসলাম বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।