Published : 20 Jan 2024, 08:52 AM
ঢাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়ে ‘লাইফ সাপোর্টে’ থাকা আইনজীবী ভুবন চন্দ্র শীলের জ্ঞান ফেরেনি তিন দিনেও। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভুবনের সম্বন্ধী পলাশ চন্দ্র শীল বলেছেন, তিন দিনেও উন্নতির খবর দিতে পারেননি চিকিৎসক। চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করলে তারা বলেছেন, ‘সৃষ্টিকর্তার নাম নেন’।
সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বিজি প্রেসের কাছে সড়কে এলোপাতাড়ি গুলিতে গুরুতর আহত হন ভুবন চন্দ্র শীল। তখন থেকে বেসরকারি পপুলার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন এই আইনজীবী। হামলায় ভুবনের মাথায় গুলি লাগে। ঘটনার পরই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আবুল খায়ের বলেন, “চিকিৎসকরা তাকে সুস্থ করে তোলার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি করছেন না।” পলাশ জানান, হাসপাতালে এক লাখ টাকা অগ্রিম দিয়ে ভুবনকে ভর্তি করানো হয়। এখন পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ তারাই বহন করছেন।
তিন দিন আগের ওই হামলায় আরিফুল নামে আরেক পথচারী আহত হন। আর হামলার লক্ষ্যে থাকা মামুনকে চাপাতি দিয়ে কোপানো হয়।
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে গুলি ও হামলার ঘটনার পেছনে তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সানজিদুল ইসলাম ইমনের হাত রয়েছে বলে আহত আরেক ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ মামুন পুলিশের কাছে দাবি করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানিয়েছেন, চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার আসামি মামুন মগবাজারের পিয়াসা বার থেকে ফেরার পথে তার মাইক্রোবাসে হামলা হয়।
চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় ২০ বছরের অধিক সময় জেল খেটে তিন মাস আগে জামিনে বের হন মামুন। মামুন পুলিশকে বলেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরা দিতে গেলে ইমন তাকে ‘দেখে নেওয়ার' হুমকি দিয়েছিলেন।
(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)