Published : 15 Jun 2026, 07:10 PM
রাজধানীর রামপুরায় ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা’ পলাশকে গুলির ঘটনার ভিডিও দেখে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
সোমবার র্যাব তাকে হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করে বলে এ থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন।
পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার মো. ফেরদৌস (৩৫) ঘটনার দিন ঘটনাস্থল ও আশপাশে অবস্থান করছিলেন।
ওসি আসাদুজ্জামান বলেন, “কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সহযোগী হিসেবে ফেরদৌসের কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়েছে। ঘটনার আগে, সময়ে ও পরে ধারণ করা একাধিক সিসিটিভি ভিডিওতে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।”
এর আগে শনিবার ঢাকার বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. ইমাম হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, পলাশকে গুলি ছোড়া ব্যক্তি যে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান, সেটির চালক ছিলেন ইমাম। রোববার তাকে আদালতে নেওয়া হলে বিচারক তার ছয় দিনের রিমান্ড আদেশ দেন।
গত ১২ জুন দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে পলাশ গুলিবিদ্ধ হন।
গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রোববার রাতে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা করেন। মামলায় জিসান আহমেদ মন্টি নামে একজনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে, যাকে শীর্ষ সন্ত্রাসী বলা হয়েছে এজাহারে।
এ ছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা (৪৮), গলদা বাদশা (৪৫), শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত (২৮), সোলাইমান খন্দকার (৪৫), ফারুক ওরফে চাচা ফারুক (৩৫), হেবেল (৩৫), মোল্লা জনি (৪২), ফিরোজ মোহাম্মদ মোল্লা (৪৫), পিচ্চি আলামিন ওরফে তোতলা আলামিন এবং সজীবের (৩৫) নাম রয়েছে আসামি তালিকায়। নাম না জানা সাত-আটজনকেও আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে মাহমুদা খানম বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পরের যোগসাজশ ও সহায়তায় এক অস্ত্রধারী তার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন।